‘ছক্কা স্পেশালিস্ট’ রিচা ঘোষকে ব্যাট করতে দেখলেই ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকেন স্মৃতি মন্ধানা। আর কী কারণে শিলিগুড়ির মেয়ের ব্যাটিং দেখে অবসাদে ভোগেন, সেটার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার তথা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) অধিনায়ক। মজার ছেলে স্মৃতি দাবি করেছেন, ছক্কা মারার জন্য তাঁকে অনেক কসরত করতে হয়। ভেবেচিন্তে মারতে হয় ছক্কা। কারণ বলটা ব্যাটের মাঝ বরাবর না লাগলে আউট হয়ে যাবেন। কিন্তু রিচার ক্ষেত্রে সেইসবের বালাই নেই। রিচা এত দুর্ধর্ষ পাওয়ার হিটার যে ব্যাটের কাণায় লেগেও ছক্কা হাঁকানোর ক্ষমতা আছে। আর সেটা দেখেই অবসাদে ভোগেন বলে দাবি করেন স্মৃতি।
ছক্কা মারা আমার সহজাত বৈশিষ্ট্য ছিল না, দাবি স্মৃতির

আর তিনি সেইসব কথা বলেছেন আরসিবির পডকাস্টে। উইমেন্স প্রিমিয়র লিগের (WPL) মধ্যেই আরসিবি পডকাস্টে নিজের ব্যাটিংয়ের ধরন, অনুশীলনের ধরন, আগ্রাসী ব্যাটিং নিয়ে কথা বলতে থাকেন স্মৃতি। সেই রেশ ধরেই তিনি বলতে থাকেন, ‘ছক্কা মারা আমার খেলার সহজাত বৈশিষ্ট্য ছিল না। কিন্তু সেটা নিয়ে আমি অনেক খেটেছি। যেভাবে আমি ব্যাট করি, তা অনেক কিছু পরিবর্তন করেছি। এখনও সেই প্রক্রিয়াটা চলছে। অনেক কিছু করছি, কারণ আগামী ছয় মাসে প্রচুর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আছে। পাওয়ার ট্রেনিং (করি)। কখনও কখনও মিসটাইম করা শটও ছক্কা হয়ে যায়। সেটা ব্যাটিংয়ের জন্য হয় না। বরং জিম করার জন্য হয়।’
'রিচার ব্যাটিং দেখে মারাত্মক ডিপ্রেশনে ভুগি'
সেই প্রসঙ্গে ভারতীয় দল এবং আরসিবিতে স্মৃতির সতীর্থ রিচার কথা বলেন সঞ্চালক মায়ান্তি ল্যাঙ্গার। আর রিচার নাম শুনেই মজার ছলে আরসিবি অধিনায়ক বলতে থাকেন, ‘আমি রিচা আর ওর পাওয়ার হিটিং নিয়ে কথা বলতে পারব না। ওকে দেখে মারাত্মক হতাশায় (ডিপ্রেশন) ভুগি। আমি ওর খেলা দেখতে পারি না। এটা মোটেও বাজেভাবে (নেতিবাচকভাবে) বলছি না। অত্যন্ত ভালোভাবেই (ইতিবাচকভাবে) বলছি। যখন আপনি এরকম কাউকে দেখেন, আর নিজের দিকে তাকান, তখন মনে হয়, আমায় প্রতিটা বল ব্যাটের মাঝখান দিয়ে খেলতে হবে।’
'ওই মেয়েটা স্পেশাল, আলাদাই প্রতিভা', রিচার প্রশংসায় স্মৃতি
সেইসঙ্গে হাসতে-হাসতে স্মৃতি বলেন, ‘ছক্কা হওয়ার জন্য আমার প্রতিটা বলে ভালো টাইমিং করতে হবে। ওই মেয়েটার মিসটাইমেও ছক্কা হয়ে যায়। কিন্তু ও স্পেশাল। তাই আমি এটা ভেবে নিয়েছি যে ও স্পেশাল। ও আলাদাই প্রতিভা। ওর খেলা আমি দেখব না। কারণ কখনও কখনও নেটেও ওর ব্যাটিং দেখা চূড়ান্ত অবসাদের হয়ে দাঁড়ায়। আমিও ওরকমভাবে ব্যাট করতে চাই। কিন্তু পারি না। আমি ব্যাপারটা মেনে নিয়েছি (যে রিচা স্পেশাল)। আমি যেমনটা পারি, সেরকমভাবেই ব্যাট করব বাবা।’
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে হাসতে-হাসতে স্মৃতি বলেন, ‘ছক্কা হওয়ার জন্য আমার প্রতিটা বলে ভালো টাইমিং করতে হবে। ওই মেয়েটার মিসটাইমেও ছক্কা হয়ে যায়। কিন্তু ও স্পেশাল। তাই আমি এটা ভেবে নিয়েছি যে ও স্পেশাল। ও আলাদাই প্রতিভা। ওর খেলা আমি দেখব না। কারণ কখনও কখনও নেটেও ওর ব্যাটিং দেখা চূড়ান্ত অবসাদের হয়ে দাঁড়ায়। আমিও ওরকমভাবে ব্যাট করতে চাই। কিন্তু পারি না। আমি ব্যাপারটা মেনে নিয়েছি (যে রিচা স্পেশাল)। আমি যেমনটা পারি, সেরকমভাবেই ব্যাট করব বাবা।’
{{/usCountry}}