Mamata on 'Books Theft' Row: 'আমার এত বই, লাইব্রেরি তৈরি করতে পারি', ‘বইচুরি’ নিয়ে তোপ মমতার, নিজেকে LIP বললেন
Mamata on 'Books Theft' Row: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বইচুরির অভিযোগ তোলা হয়। তা নিয়ে পালটা মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। সেই রেশ ধরে পুলিশকে সতর্ক করলেন তিনি। একইভাবে বিজেপিকে সতর্কবার্তা দিলেন অভিষেক।
Mamata on 'Books Theft' Row: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভার লাইব্রেরির বই ফেরত দেননি বলে অভিযোগ উঠেছিল। তা নিয়ে পালটা মুখ খুললেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস (কালীঘাটপন্থী) সুপ্রিমো। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন, বইচুরির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে নাকখত দিতে হবে। সেইসঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এমন কোনও লেখক নেই, যাঁর বই তাঁর কাছে নেই। তাঁর কাছে যা বই আছে, তা দিয়ে নিজেই কয়েকটি লাইব্রেরি খুলে দিতে পারেন বলে দাবি করেন মমতা। যিনি নিজেকে আজ LIP হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

‘এমন লেখক নেই, যাঁর বই আমার কাছে নেই’
আর সেইসব মন্তব্য তিনি করেছে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা থেকে। মমতা বলেন, ‘আমায় বলছে যে আমি নাকি বই চুরি করেছি, সাহস থাকলে প্রমাণ দিয়ে দেখান, নাহলে আপনাদের নাকখত দিতে হবে। এমন দুঃসময় আসেনি আমার, যে আমায় লাইব্রেরির বই চুরি করতে হবে। আমি কয়েকটা লাইব্রেরি তৈরি করে দিতে পারি। এমন কোনও লেখক-লেখিকা নেই, যাঁর বই আমার বাড়িতে নেই।’
'আমি LIP', দাবি মমতার, LIP-র মানে কী?
সেই রেশ ধরে নিজেকে LIP বলার কারণ ব্যাখ্যা করে মমতা বলেন, ‘আজকে না, আমি সাতবারের এমপি (সাংসদ)। আমি চারবারের সেন্ট্রাল মিনিস্টার। চিফ মিনিস্টারটা বলতে আমার ভালো লাগে। ওখানে আমি কমনার হিসেবে কাজ করতাম। আমি সবসময় নিজেকে LIP হিসেবে ট্রিট করি। মানে Less Important Person (কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব)।’
'আপনারা সামাল দিতে পারবেন তো?’, পুলিশকে হুঁশিয়ারি মমতার
তারইমধ্যে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন মমতা। তিনি বলেন, ‘যে পুলিশরা অত্যাচার করছে, তাদের আমি বলব, আপনাদের পরিবার নেই? আজ যদি এই অত্যাচারটা আপনার পরিবারের লোকের (উপরে হত), এই অত্যাচারটা আপনার পরিবারের লোক চোখের সামনে দেখছেন। যদি কোনওদিন ভুলেও এই অত্যাচার….আমি চাই না কেউ করুক…কিন্তু কোনও পরিবারের উপরে হয়, আপনারা সামাল দিতে পারবেন তো?’
আরও পড়ুন: CM Suvendu Adhikari: 'বাড়ির আবর্জনার মতো পরিষ্কার...,' ‘দেশের ভিতরের শত্রুদের’ হুংকার মুখ্যমন্ত্রীর
‘অত্যাচার ততটাই করুন, যতটা সহ্য করার ক্ষমতা আছে’
মমতার সেই বার্তার রেশ পাওয়া যায় তৃণমূলের (কালীঘাটপন্থী) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বিজেপির বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ তুলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অত্যাচার ততটাই করুন, যতটা সহ্য করার ক্ষমতা আছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


