...
...
Next Story

অবৈধ নির্মাণ হলে ভেঙে ফেলা হবে, এজরা স্ট্রিটে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে কড়া বার্তা মেয়রের

দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তাঁর পরামর্শ, ব্যবসা করুন, পুরসভা পাশে থাকবে। তবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা প্রতিটি বাড়িতেই সঠিক রাখতে হবে।

Published on: Nov 15, 2025, 19:57:00 IST
Advertisement

কলকাতায় ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এই অগ্নিকাণ্ড বড়বাজার এলাকার পুরনো বহুতলগুলির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আগুন নেভার পর শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। প্রাচীন এই বহুতলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে ফের উঠছে তীব্র অভিযোগ। মেয়র জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার পর আগামী সপ্তাহে সিইএসসি, দমকল, পুলিশ এবং ব্যবসায়ী সমিতিকে নিয়ে বৈঠক ডাকা হবে।

মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

আরও পড়ুন: দীপাবলিকে ঘিরে প্রস্তুতি কলকাতা পুলিশের, শব্দদূষণ রুখতে পদক্ষেপ, বৈঠকে সিপি

ঘটনাস্থল ঘুরে মেয়র বলেন, পুরনো বহুতলটিতে বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক তার এলোমেলোভাবে ঝুলতে দেখা গেছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ব্যবসায়ী ও কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকেরই দায়িত্ব যাতে দমকল দ্রুত পৌঁছতে পারে। তিনি জানান, বড়বাজারের মতো ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ড রুখতে এক যৌথ প্রক্রিয়া জরুরি সেই লক্ষ্যেই বৈঠক ডাকা হচ্ছে। এজরা স্ট্রিটের কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠক ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, এই বহুতলে অন্তত বাইশবার আগুন লেগেছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই এলাকার অগ্নি-ঝুঁকি নিয়ে বারবার জানিয়েছেন দমকলকে, পুলিশ কমিশনারকে, পুরসভাকে কিন্তু কেউ গুরুত্ব দেয়নি। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি জেনে শুনেও কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি।

মেয়র অবশ্য সেই অভিযোগ সরাসরি মানতে নারাজ। তিনি জানান, বহুতলে বেআইনি নির্মাণ রয়েছে কি না, তা পুরসভা বিল্ডিং বিভাগের দল না দেখা পর্যন্ত বলা যাবে না। মেয়রের কথায়, একশো-দেড়শো বছরের পুরোনো বাড়ি। কী কী পরিবর্তন হয়েছে, তা সবসময় নজরে রাখা সম্ভব নয়। বিল্ডিং বিভাগের রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে কোন অংশ আইনসম্মত, কোন অংশ অবৈধ। প্রমাণ মিললে বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হবে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির পরিমাণ বিপুল বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে মেয়র জানান, ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষয়ক্ষতির হিসেব তোলা হবে। তারপরই রাজ্যের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে আর্থিক সাহায্য বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত নয়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe