...
...
Next Story

রাজ্যের আইনজীবী অসুস্থ! ফের পিছল 'সুপ্রিম' শুনানি, IPAC মামলার গুরুত্বর্পূর্ণ তথ্য এক নজরে

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য থেকে রাজধানী পর্যন্ত।

Published on: Feb 10, 2026, 13:48:49 IST
Advertisement

আবারও সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। মঙ্গলবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জানা যায়, রাজ্যের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ। আদালতের কাছে আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয়। সেই আবেদনে সাড়া দেন বিচারপতিদের ডিভিশন বেঞ্চ। ইডির দায়ের করা এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শীর্ষ আদালত। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি হবে বলে আদালত সূত্রে খবর।

ফের পিছল 'সুপ্রিম' শুনানি (HT_PRINT)
ফের পিছল 'সুপ্রিম' শুনানি (HT_PRINT)

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই মামলার শুনানির কথা ছিল আদালতে। কিন্তু ওই দিন শুনানি হয়নি। ইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফের মামলাটি শুনানির জন্য ওঠার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের প্রধান আইনজীবী কপিল সিব্বলের শারীরিক অসুস্থতার কারণে মামলার শুনানি স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়। কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা প্রস্তাব দেন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি মামলার শুনানি করা হোক। সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েই বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ ওই দিন পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য থেকে রাজধানী পর্যন্ত। এখন সব নজর আগামী শুনানির দিকেই।

ঘটনার সূত্রপাত

গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওইসব তাঁর দলের নথিপত্র। তাতে নির্বাচনী রণকৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র রয়েছে। সেসব ছিনতাইয়ের ষড়যন্ত্র করেছে ইডি, এই অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দলের স্বার্থে তিনি সেসব ফাইল সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। আর তাঁর এই পদক্ষেপেই ইডির সঙ্গে সংঘাত তৈরি হয়।

সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে রাজ্যের তরফে ইডির মামলা খারিজের আবেদন করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা দায়ের করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই ইডির। যে ভাবে তল্লাশি হয়েছে, সে ভাবে তল্লাশি চালানো যেতে পারে না। কেন আইপ্যাককে কোনও আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে রাজ্যের তরফে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় (সাংবিধানিক প্রতিবিধান সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার) অভিযোগ এনেছিল ইডি। রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা। হলফনামায় রাজ্য পাল্টা দাবি করে, আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে ইডির অভিযান সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) পরিপন্থী।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe