রাত পোহালেই বৃহস্পতিবারে রাজ্য বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন। আসছে, ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬’।এক রাজ্য়, এক শিক্ষাব্যবস্থা নীতিকে কার্যকর করবে এই বিল। ঠিক তার আগের সন্ধ্যায়, যাদবপুরে ‘গেরুয়া সম্মান যাত্রা’য় অংশ নেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সভা শেষে যাদবপুরে বক্তব্য রাখেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

সভা মঞ্চ থেকে শুভেন্দু জানান, ‘কালকে বেলা এগারোটা থেকে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন বসছে, উচ্চ শিক্ষায় নীতি বদল হবে।’ তার আগে, শুভেন্দু বলেন, ‘ গেরুয়া নিয়ে আধ্যাত্মিক জাগরণের এই পশ্চিমবঙ্গে, অপশব্দ বলা বা লেখার আগে, ৫ বার ভাববেন। গেরুয়ার অপমান আমরা সহ্য করব না। পরিষ্কার বার্তা দিয়ে গেলাম এখানে এসে।’ সভা মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানান, ‘আমি কিছু দিনের মধ্যেই এখানে সনাতন সংস্কৃতি পরিষদের ডাকে যারা গেরিয়াকে অপমান করছেন তাদের শিক্ষা দিতে হনুমান চালিশা ও গীতা পাঠ করতে আসবো আবার।’ ভবানীপুরের বিধায়ক তথা রাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘১১-তে পণ করেছিলাম কমিউনিস্টদের সরাবো, মোদিজির নেতৃত্বে ২৬-এ বলেছিলাম জামাতি সরকারকে সরাবো, আপনাদের আশীর্বাদে সেটা হয়েছে।’ এরই সঙ্গে তিনি সুর চড়িয়ে সাফ বলেন, ‘আমি শপথ নিয়েছি এই যাদবপুরে সংস্কৃতির পীঠস্থান , যেখান ঋষি অরবিন্দর ভূমি, সেখানে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ আর কিষেণজিকে ‘রেড স্যালুট’ দেওয়া লোকেদের শিকড় থেকে তুলে ফেলব।’ শুভেন্দুর সাফ বার্তা, ‘স্বামী বিবেকানন্দের মাটি, প্রণবানন্দের মাটিতে গেরুয়াই হবে, গেরুয়াই হবে, গেরুয়াই হবে।’
শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও এদিনের সভায় একাধিক বিশিষ্টরা ছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী, বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ও মন্ত্রী তাপস রায়,কার্তিক মহারাজ, ছিলেন উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্যও।
{{/usCountry}}শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও এদিনের সভায় একাধিক বিশিষ্টরা ছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী, বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ও মন্ত্রী তাপস রায়,কার্তিক মহারাজ, ছিলেন উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্যও।
{{/usCountry}}