...
...
Next Story

SIR hearing Rule: প্রসঙ্গে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট! এসআইআর শুনানির শেষলগ্নে নিয়মে বড় বদল কমিশনের

নির্বাচন কমিশনের তরফে শনিবার এক বার্তায় বলা হয়েছে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট কমিশনের নির্ধারিত ১১ নথির মধ্যে ধার্য হলেও, এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে।

Published on: Feb 7, 2026, 19:58:24 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

এসআইআর-র শেষলগ্নে এসে নির্বাচন কমিশন জানাল কমিশনের নির্ধারিত ১১ নথির পাশাপাশি গণ্য হবে 'ডোমিসাইল সার্টিফিকেট' বা ‘পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট’। এসআইআর পর্বের শুনানির শেষ লগ্নে এসে এমনই বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন।

প্রসঙ্গে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট! এসআইআর শুনানির শেষলগ্নে নিয়মে বড় বদল কমিশনের (PTI)
প্রসঙ্গে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট! এসআইআর শুনানির শেষলগ্নে নিয়মে বড় বদল কমিশনের (PTI)

নির্বাচন কমিশনের তরফে শনিবার এক বার্তায় বলা হয়েছে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট কমিশনের নির্ধারিত ১১ নথির মধ্যে ধার্য হলেও, এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকের সই সম্বলিত সার্টিফিকেটই একমাত্র গৃহীত হবে। সার্টিফিকেটে অন্য কারোর স্বাক্ষর থাকলে তা গৃহীত হবে না। প্রসঙ্গত, এসআইআর-এর সংশোধন পর্বে নির্বাচন কমিশনের নয়া এই নিয়ম, ভোটারদের কাছে স্বস্তির বার্তা এনে দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলাশাসক, এসডিওদেরও এই সার্টিফিকেট দিতে দেখা গিয়েছে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে পুরসভা থেকে সার্টিফিকেট ইস্যুর মতো ঘটনাও ঘটেছে। সেই জায়গা থেকে কার কার স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট ধার্য হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছে কমিশন।

রিপোর্ট বলছে, কমিশন এও জানিয়েছে, তবে পরবর্তী কালে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর ক্ষেত্রে সেই সার্টিফিকেট গণ্য হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পার্মানেন্ট রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট’ কেন গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না, তা জানতে চেয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছিলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে শুধুমাত্র বাংলার ক্ষেত্রেই এই আলাদা নিয়ম কেন? তারপর সুপ্রিম কোর্টেও পা রাখেন মমতা। তোলেন প্রশ্ন। এরপর এল নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বড় বার্তা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe