...
...
Next Story

Indian Navy's Haldia Base: কলকাতার কাছেই নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ছে ভারত! থাকবে ভয়ংকর অস্ত্রবহর, বাংলাদেশ শেষ?

কলকাতার কাছেই নতুন নৌঘাঁটি গড়ছে ভারত! থাকবে মারাত্মক অস্ত্রবহর। চিন, বাংলাদেশ-সহ আঞ্চলিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে ও নিজেদের হাত আরও মজবুত করতে চাইছে ভারত।

Published on: Jan 10, 2026, 15:59:23 IST
Advertisement

পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় নয়া সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে'র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চিন, বাংলাদেশ-সহ আঞ্চলিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে এবং নিজেদের হাত আরও মজবুত করতে চাইছে ভারত। সেজন্যই হলদিয়ায় সামরিক ঘাঁটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেটা বড় নৌঘাঁটি নয়। ছোট-মাঝারি নৌঘাঁটি হবে। যেখান থেকে প্রয়োজন মতো অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ছোট-ছোট যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করতে পারবে ভারতীয় নৌসেনা। নামাতে পারবে ‘মিশনে’।

হলদিয়া ডকের পরিকাঠামো ব্যবহার করেই কাজ হবে

কলকাতার কাছেই নতুন নৌঘাঁটি গড়ছে ভারত! থাকবে মারাত্মক অস্ত্রবহর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
কলকাতার কাছেই নতুন নৌঘাঁটি গড়ছে ভারত! থাকবে মারাত্মক অস্ত্রবহর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

দ্রুত সেই নৌসেনা ঘাঁটি তৈরির কাজটা করার জন্য হলদিয়ার ডক কমপ্লেক্সকে কাজে লাগানো হবে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র জানিয়েছে যে হলদিয়া বন্দরের যে পরিকাঠামো আছে, সেটা কাজে লাগিয়েই দ্রুত সামরিক ঘাঁটি গড়ে তোলা হবে। ফলে প্রাথমিকভাবে পরিকাঠামোগত কাজ করতে হবে অল্পবিস্তর। গড়ে তোলা হবে নির্দিষ্ট জেটি এবং অন্যান্য ব্যবস্থা। আপাতত ধাপে-ধাপে আরও উন্নত করে তোলা হবে হলদিয়া নৌঘাঁটিকে।

কোন কোন অস্ত্রবহর থাকতে পারে হলদিয়া ঘাঁটিতে?

সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, হলদিয়ায় ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট, নিউ ওয়াটার জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফটের মতো বহর থাকতে পারে। যা অতি দ্রুত যে কোনও মিশনে যোগ দিতে পারবে। আছে জিআরএল-৯১ গানও। শুধু তাই নয়, অপারেশন সিঁদুরের সময় যেরকম অস্ত্র ব্যবহার করেছিল ভারত, সেগুলি দিয়ে সজ্জিত বহরও রাখা হতে পারে হলদিয়ায়। তার ফলে একেবারে নিখুঁতভাবে যে কোনও 'টার্গেটে' হামলা চালানো যাবে। আর নজরদারির জালটাও আরও মজবুত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোন কোন কারণে এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে?

একইভাবে বাংলাদেশের পরিস্থিতিও খুব একটা সুবিধা নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পরে উগ্রপন্থীদের দাপট বেড়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে ভারত বিরোধিতার মাত্রা। ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখল করে নেব, এই করে নেব, সেইসব ‘ডায়লগবাজি’ চলছে। বাস্তবে বাংলাদেশের সেই কাজটা করার ছিটেফোঁটা দম না থাকলেও উগ্রপন্থী বা মৌলবাদীরা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা আছে। সেজন্য ব্যবহার করতে পারে সমুদ্রপথ। তাই সবদিকটা মাথায় হলদিয়ায় নৌঘাঁটি তৈরির সিদ্ধান্ত

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe