Yoga Day 2026 Programme in Kolkata: ব্রিগেডে কেন যোগ দিবস নয়? ৭ দিন রেড রোড বন্ধের কারণ বলল রাজ্য, কী বলছে হাইকোর্ট?
Yoga Day 2026 Programme in Kolkata: রেড রোডে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কর্মসূচি পালন করা হবে। থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেজন্য সাতদিন বন্ধ থাকবে রেড রোড। তা নিয়ে মামলা করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। কী বলল হাইকোর্ট?
Yoga Day 2026 Programme in Kolkata: আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের জন্য সাতদিন বন্ধ থাকছে রেড রোড। সেই বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের একাংশ দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, যতদিন রেড রোড বন্ধ থাকবে, ততদিন যান চলাচলের জন্য বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অসুবিধা না হয়। আর অনুষ্ঠান শেষ হলেই যান চলাচলের জন্য রাস্তা খুলে দিতে হবে পুলিশকে। সেইসঙ্গে ওই মামলায় সবপক্ষকে তিন সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

রেড রোডের অনুষ্ঠানে আসছেন মোদী
এমনিতে আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস কলকাতায় পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতা দখলের পরে রেড রোডেই সেই কর্মসূচি পালন করবেন। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা আছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ একাধিক মন্ত্রী, শীর্ষ নেতার। সেই পরিস্থিতিতে ২১ জুন পর্যন্ত রেড রোডে সবরকমের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যে সিদ্ধান্ত নিয়ে একাংশের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়। হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়।
'কেন ব্রিগেডে যোগ দিবসের কর্মসূচি হচ্ছে না?'
ওই মামলার প্রেক্ষিতে আজ হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন যে কেন ব্রিগেডে যোগ দিবসের কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে না? ব্রিগেডে যদি ওই কর্মসূচি পালন করা হত, তাহলে কী ক্ষতি হত? অবশ্যই এটা সরকার অনুষ্ঠান। কিন্তু ব্রিগেডে যোগ দিবসের কর্মসূচি পালন করা হলে সাধারণ মানুষ রেড রোড ব্যবহার করতে পারতেন। তাঁদের সমস্যা হত না।
রাজ্যের তরফে কী যুক্তি দেওয়া হল?
যদিও রাজ্যের তরফে সওয়াল করা হয়, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে যোগ দিবসের কর্মসূচি ব্রিগেডে হচ্ছে না। সেনার তরফেও রেড রোডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রীকে স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই রেড রোডের একাংশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের তরফে সওয়াল করা হয়।
তারইমধ্যে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিতি নিয়ে নবান্নের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়, সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে কো-অর্ডিনেশন কমিটির তরফে হাইকোর্টে মামলা করা হয়। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে শুনানিতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের যে বাধ্যতামূলকভাবে যোগ দিতে হবে, সেটা লেখা হয়নি। সচেতনতামূলক কাজ করা হচ্ছে বলে রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


