Prasanta Barman: রাজ্যে পালাবদলের পর এবার স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কুমিল্যা খুনের মামলায় ফের তদন্তে নেমেছে বিধাননগর পুলিশ। অভিযুক্ত অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলার ফাইল খোলা হয়েছে। তদন্তে গতি আনতে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পলাতক প্রশান্ত বর্মনের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই নিউটাউনের যে ফ্ল্যাটে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে খুন করা হয়েছিল, সেখানে নতুন করে ফরেন্সিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বেঙ্গল এসটিএফ, বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ, বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ এবং ফরেন্সিক আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তথ্য সংগ্রহ করেন। তদন্তের সময় ফ্ল্যাটের প্রতিটি ঘরের দরজা ভেঙে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চালানো হয়। এদিকে, এই মামলার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে বিধাননগর পুলিশ। ডিসি ডিডির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের এই সিটে রয়েছেন ডিসি ডিডি, এসিপি ডিডি, আইসি সাইবার-সহ মোট ছয়জন দক্ষ আধিকারিক।
সিট গঠনের পর তদন্তের স্বার্থে নতুন করে তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। তদন্তকারী দল মামলার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করছে। পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বিডিও-র বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য গঠিত সিটের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এসটিএফকে। প্রাক্তন এই বিডিও ভিনরাজ্যে পালিয়ে গিয়ে থাকলে, কোনও সূত্র মিললেই তাঁকে ধরতে ভিনরাজ্যে অভিযান চালাবে এসটিএফ। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও পদে থাকাকালীন প্রশান্তের বিরুদ্ধে সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপনকে খুনের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নামে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। গঠিত হয় সিট। বিস্তর টালবাহানার পর তাঁর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। কিন্তু পলাতক ছিলেন বিডিও। আদালত আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও তা মানেননি বিডিও।
পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত এক বিডিওকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছে না? সেই প্রশ্ন ওঠে। বিডিও প্রভাবশালী বলেও তথ্য উঠে আসে। তল্লাশি চললেও তাঁকে ধরা যায়নি! এ দিকে গত জুনে নিউটাউনে মদ্যপ অবস্থায় এক পথচারীকে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত। তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু সেই মামলায় জামিন পেয়ে যান। তারপর থেকে খোঁজ নেই। তখন ফের প্রশ্ন ওঠে পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত বিডিওকে একটি পৃথক মামলাতে গ্রেফতার করা হলেও কেন তাঁকে খুনের মামলায় গ্রেফতার করা গেল না? সব মিলেয়ে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ে। অবশেষে ফের সেই ফাইল খুলল। শুরু হল তল্লাশি। এবার সিটের সঙ্গে যুক্ত করা হল এসটিএফকে।
{{/usCountry}}পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত এক বিডিওকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছে না? সেই প্রশ্ন ওঠে। বিডিও প্রভাবশালী বলেও তথ্য উঠে আসে। তল্লাশি চললেও তাঁকে ধরা যায়নি! এ দিকে গত জুনে নিউটাউনে মদ্যপ অবস্থায় এক পথচারীকে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত। তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু সেই মামলায় জামিন পেয়ে যান। তারপর থেকে খোঁজ নেই। তখন ফের প্রশ্ন ওঠে পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত বিডিওকে একটি পৃথক মামলাতে গ্রেফতার করা হলেও কেন তাঁকে খুনের মামলায় গ্রেফতার করা গেল না? সব মিলেয়ে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ে। অবশেষে ফের সেই ফাইল খুলল। শুরু হল তল্লাশি। এবার সিটের সঙ্গে যুক্ত করা হল এসটিএফকে।
{{/usCountry}}