...
...
Next Story

IPAC Employee beaten by TMC Leader: আজব কাণ্ড নদিয়ায়! আইপ্যাক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তার কোনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইপ্যাকের প্রতি কোনও রোষ সেভাবে দেখা যায়নি তৃণমূল নেতাদের মধ্যে।

Published on: Apr 15, 2026, 10:42:59 IST
Advertisement

আইপ্যাক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ায়। আহত আইপ্যাক কর্মীর নাম পিকলু শেখ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সুমন খাঁয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পিকলু। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তার কোনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইপ্যাকের প্রতি কোনও রোষ সেভাবে দেখা যায়নি তৃণমূল নেতাদের মধ্যে।

কৃষ্ণনগরে আইপ্যাক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে।
কৃষ্ণনগরে আইপ্যাক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে।

এদিকে ঘটনা প্রসঙ্গে আক্রান্ত পিকলু শেখ বলেন, 'আমি একজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম। হঠাৎ করে সুমন খাঁ আমায় বাঁশ দিয়ে মারধর করে। আমার মাথায় সেলাই পড়েছে। কেন মারল জানি না। ওর সঙ্গে তো কিছুই নেই। কালকে রাতে কথা হয়েছে সেই মতো এসেছিলাম। আমি সিনিয়রদের জানিয়েছি।' সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি কৌশিক মজুমদার সহ একাধিক নেতা।

জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদ সড়ক মসজিদ পাড়ায় অবস্থিত উত্তর নদিয়ার কৃষ্ণনগর তৃণমূল জেলা কার্যালয়ের সামনে ছিলেন পিকলু শেখ। তখনই হঠাৎ কৃষ্ণনগর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুব সভাপতি সুমন খাঁকে মারধর করেন। সুমন নাকি বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন পিকলুর মাথায়। এর জেরে মাথা ফেটে যায় পিকলু শেখের। এরপরই আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় পিকলু শেখকে। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন আপাতত। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে পৌঁছন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অনুপম বিশ্বাস। তিনি আহত কর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে সমস্ত রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe