আইপ্যাক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ায়। আহত আইপ্যাক কর্মীর নাম পিকলু শেখ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সুমন খাঁয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পিকলু। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তার কোনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইপ্যাকের প্রতি কোনও রোষ সেভাবে দেখা যায়নি তৃণমূল নেতাদের মধ্যে।

এদিকে ঘটনা প্রসঙ্গে আক্রান্ত পিকলু শেখ বলেন, 'আমি একজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম। হঠাৎ করে সুমন খাঁ আমায় বাঁশ দিয়ে মারধর করে। আমার মাথায় সেলাই পড়েছে। কেন মারল জানি না। ওর সঙ্গে তো কিছুই নেই। কালকে রাতে কথা হয়েছে সেই মতো এসেছিলাম। আমি সিনিয়রদের জানিয়েছি।' সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি কৌশিক মজুমদার সহ একাধিক নেতা।
জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদ সড়ক মসজিদ পাড়ায় অবস্থিত উত্তর নদিয়ার কৃষ্ণনগর তৃণমূল জেলা কার্যালয়ের সামনে ছিলেন পিকলু শেখ। তখনই হঠাৎ কৃষ্ণনগর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুব সভাপতি সুমন খাঁকে মারধর করেন। সুমন নাকি বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন পিকলুর মাথায়। এর জেরে মাথা ফেটে যায় পিকলু শেখের। এরপরই আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় পিকলু শেখকে। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন আপাতত। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে পৌঁছন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অনুপম বিশ্বাস। তিনি আহত কর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে সমস্ত রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।