রাজ্যে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বাজতেই অপসারিত হয়েছিলেন। এহেন আইপিএস আধিকারিক সুপ্রতিম সরকারকে তামিলনাড়ুতে ভোট পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে সেই দায়িত্ব গ্রহণ করতে না চেয়ে আবেদন করলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার। সুপ্রতিম সরকারকে তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলি, অম্বাসমুদ্রম, পালায়মকোট্টাই নাঙ্গুনেরি এবং রাধাপুরমে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। তবে চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন সুপ্রতিম।

বর্তমানে সিআইডির অতিরিক্ত ডিজি পদে দায়িত্বে রয়েছেন সুপ্রতিম। উল্লেখ্য, মালদায় বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় মূলচক্রী হিসেবে চিহ্নিত এআইএমআইএম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামকে ধরে সেই সিআইডি। এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি কলকাতা পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সুপ্রতিম। পরে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হতেই ১৬ মার্চ তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেয় কমিশন। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত ৩১ জন আইপিএস অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সম্প্রতি আবার ১৭৩টি থানার ওসি বদল করা হয়। এর আগে রাজ্যের ডিজিপি পীযুষ পাণ্ডেকেও সরিয়ে দিয়েছিল। এরপর কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে। এরই সঙ্গে রাজ্যের ১২ জায়গায় পুলিশ সুপারকেও পাল্টে দেয় নির্বাচন কমিশন। বীরভূম, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, মালদার পুলিশ সুপাররা এই তালিকায় রয়েছেন। এরপর ১৮ মার্চ নয়া নির্দেশিকা জারি করে পাঁচ ডিআইজি, দুই পুলিশ কমিশনার এবং একঝাঁক জেলাশাসককে সরিয়ে দেওয়া হয়। রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, জলপাইগুড়ি এবং প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজিদের সরিয়ে দেওয়া হয়। ১১ জেলার জেলাশাসকদের সরানো হয়েছিল। বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।