গত ২৫ মার্চ উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল আইএসএফ। সেখানে গিয়ে সম্প্রতি প্রার্থীর হয়ে প্রচার সভাও করে এসেছিলেন আইএসএফের বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তবে নওশাদের সেই সভার পরে প্রার্থী জানিয়ে দিলেন, তিনি নির্বাচনে লড়বেন না। এই আবহে অস্বস্তিতে পড়েছে আইএসএফ। উল্লেখ্য, উলুবেড়িয়া পূর্ব আসনে প্রার্থী করা হয়েছিল শেখ আনসার আলিকে। তিনি প্রচারও শুরু করেছিলেন। তবে ভোট ঘনিয়ে আসতেই তিনি জানান, তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এই আবহে নয়া প্রার্থীর খোঁজ শুরু করেছে আইএসএফ।

আইএসএফ দাবি করেছে, ব্যক্তিগত কারণে ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শেখ আনসার আলি। এর আগে গত ৩ এপ্রিল চেঙ্গাইলে একটি প্রচার সভার আয়োজন করা হয়েছিল আইএসএফের তরফ থেকে। সেখানে বক্তব্য দিয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকি। তবে প্রার্থী শেখ আনসার আলি সেই সভায় ছিলেন না। এরপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল। আইএসএফের হাওড়া জেলার সম্পাদক ও উলুবেড়িয়া পূর্ব ও দক্ষিন কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক আফতাব মোল্লা এই বিষয়ে বলেছেন, 'আমাদের প্রার্থী ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানিয়েছে। আমরা প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'
এদিকে সম্প্রতি আরও এক প্রার্থীর জন্য অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে আইএসএফকে। কালিয়াচকে বিচারকদের ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন মোথাবাড়ি কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী শাহজাহান আলি কাদরি। তবে শাহজাহানের দাবি, তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। আইএসএফ নেতার দাবি, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, অন্য একটি গ্রামে ছিলেন। এই আবহে শাহজাহানের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে নওশাদের বক্তব্য, 'অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে লাভ হবে না। নির্বাচনে আইএসএফ-এর জয়ের সম্ভাবনা দেখে ভয় পেয়েছে দুই প্রধান দল। তাই পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে এই ঘটনায় আইএসএফ-এর নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।'
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে আইএসএফের জন্য ৩০টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বামফ্রন্ট। প্রসঙ্গত, আইএসএফের সাথে জোট নিয়ে বামফ্রন্টের মধ্যে মতবিরোধ ছিল। তবে সিপিএম বেশ আগ্রহী ছিল আইএসএফকে সঙ্গে নিতে। এই আবহে সম্প্রতি আবার জানা যায়, আইএসএফের জন্য পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে হয়েছে সিপিএমকে। একদা এই আসনটি ছিল সিপিআইয়ের কাছে। এবার সিপিআইয়ের বদলে পাঁশকুড়া পশ্চিম থেকে প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দলীয় সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি। তবে আইএসএফের চাপে পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নিজেদের প্রার্থী প্রত্যাহার করল সিপিএম। এখন এই কেন্দ্রে আইএসএফের প্রার্থী আফজল আলি শাহ।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে আইএসএফের জন্য ৩০টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বামফ্রন্ট। প্রসঙ্গত, আইএসএফের সাথে জোট নিয়ে বামফ্রন্টের মধ্যে মতবিরোধ ছিল। তবে সিপিএম বেশ আগ্রহী ছিল আইএসএফকে সঙ্গে নিতে। এই আবহে সম্প্রতি আবার জানা যায়, আইএসএফের জন্য পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে হয়েছে সিপিএমকে। একদা এই আসনটি ছিল সিপিআইয়ের কাছে। এবার সিপিআইয়ের বদলে পাঁশকুড়া পশ্চিম থেকে প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দলীয় সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি। তবে আইএসএফের চাপে পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নিজেদের প্রার্থী প্রত্যাহার করল সিপিএম। এখন এই কেন্দ্রে আইএসএফের প্রার্থী আফজল আলি শাহ।
{{/usCountry}}