...
...
Next Story

Pak High Commission: দিনহাটা থেকে ইসলামাবাদ! ভারতীয় সিম পাচারে উঠে এল ঢাকার পাক দূতাবাসের নাম, নজরে ২ ISI হ্যান্ডলার

সম্প্রতি ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ তিন সন্দেহভাজন আইএসআই চরকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, নুর নাসিরুদ্দিন আলি এবং রশিদুল হক ওরফে রশিদুল ইসলাম।

Published on: Aug 17, 2026, 08:35:57 IST
Advertisement

কোচবিহারের দিনহাটায় ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচারের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে আন্তর্জাতিক গুপ্তচর চক্রের যোগ। গোয়েন্দাদের তদন্তে বাংলাদেশের দুই আইএসআই হ্যান্ডলারের নাম উঠে এসেছে। তারা হল আকবর হোসেন ওরফে সম্রাট এবং ওমর। তদন্তকারীদের দাবি, দু’জনই ঢাকার পাকিস্তানি দূতাবাসের হয়ে কাজ করে। তাদের নির্দেশেই গত কয়েক মাসে একাধিক ভারতীয় সিমকার্ড নেপালের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

মধ্যস্থতা আলোচনার গুঁতো! পাকিস্তান বাধ্য হল উত্তরের একমাত্র শোধনাগারটিকে….(Photo by Farooq NAEEM / AFP) (AFP)
মধ্যস্থতা আলোচনার গুঁতো! পাকিস্তান বাধ্য হল উত্তরের একমাত্র শোধনাগারটিকে….(Photo by Farooq NAEEM / AFP) (AFP)

সম্প্রতি ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ তিন সন্দেহভাজন আইএসআই চরকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, নুর নাসিরুদ্দিন আলি এবং রশিদুল হক ওরফে রশিদুল ইসলাম। তাদের জেরা এবং মোবাইল ফোনে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরেই বাংলাদেশের রংপুরের বাসিন্দা আকবর এবং ঢাকায় থাকা ওমরের নাম সামনে আসে।

গোয়েন্দাদের দাবি, ঢাকার পাক দূতাবাসের কয়েকজন আধিকারিকের নির্দেশে আকবর ও ওমর এই পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিল। তদন্তে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২টি ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পাঠানোর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সিমকার্ডগুলি সরাসরি বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে পাঠানো হয়নি। নেপালের দুই আইএসআই লিঙ্কম্যানের মাধ্যমে সেগুলি ইসলামাবাদে পৌঁছে দেওয়া হত বলে তদন্তকারীদের অনুমান।

শুধু সিমকার্ড পাচার নয়, জাল নোটের কারবারেও আকবর ও ওমরের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। গোয়েন্দাদের দাবি, তাদের মদতেই ২০২৩ সাল থেকে কোচবিহারের নাজিরহাট এবং নয়ারহাট সীমান্ত এলাকায় জাল নোট পাচার চলেছে। প্রায় দু’বছরে এই চক্রের মাধ্যমে প্রায় সাত লাখ টাকার জাল নোট পাচার করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন।

তদন্তকারীদের দাবি, জাল নোট ও ভারতীয় সিমকার্ড পাচারের জন্য আকবর রশিদুলের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে প্রায় আড়াই লাখ টাকা পাঠিয়েছিল। পরে ওই টাকা প্রদীপ্ত বসুর মাধ্যমে নাসিরুদ্দিনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই অর্থের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারীদের মতে, সীমান্তের ওপারে সক্রিয় আইএসআই নেটওয়ার্ক কীভাবে বাংলাদেশ ও নেপালকে ব্যবহার করে ভারতের সিমকার্ড এবং জাল নোটের কারবার চালাচ্ছে, দিনহাটার এই ঘটনা তারই গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে। এখন আকবর ও ওমরের সঙ্গে পাক দূতাবাসের যোগাযোগ এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি আরও গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe