ISKCON on Mid Day Meal Egg: মিড ডে মিলে কি সত্যিই ডিম থাকবে না? মেনু চূড়ান্ত না হলেও বড় ইঙ্গিত দিল ইসকন
ISKCON on Mid Day Meal Egg: মিড ডে মিলে কি সত্যিই ডিম থাকবে না? এখনও মেনু চূড়ান্ত না হলেও বড় ইঙ্গিত দিল ইসকন কর্তৃপক্ষ। কলকাতার স্কুলে আপাতত পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে মিড ডে মিলের প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে ইসকন।
ISKCON on Mid Day Meal Egg: ইসকনের দেওয়া মিড ডে মিলে কি ডিম থাকবে? ইসকন মিড ডে মিল দিলে কি মেনু থেকে ডিম বাদ পড়বে? সোমবার রাজ্য বাজেটে যখন থেকে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেছেন যে কলকাতার স্কুলে মিড ডে মিল প্রদানের ক্ষেত্রে ইসকনের সহযোগিতা নেওয়া হবে, তখন থেকে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অনেকেই। তারইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। তা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল ইসকন কর্তৃপক্ষ। ইসকনের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতার স্কুলের মিড ডে মিলের মেনুতে কী থাকবে, এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় যে সব মেনু ঘুরে বেড়াচ্ছে, তা সঠিক নয়।

এখনও চূড়ান্ত হয়নি মেনু, দাবি করল ইসকন কর্তৃপক্ষ
বিষয়টি নিয়ে কলকাতা ইসকনের সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাধারমণ দাস বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে কলকাতায় মিড ডে মিলের প্রস্তাবিত মেনু নিয়ে একটি তালিকা ছড়াচ্ছেন কেউ-কেউ। তবে আমি স্পষ্ট করে দিতে চাই যে এরকম কোনও মেনু চূড়ান্ত করা হয়নি। আর ওই তালিকা প্রকাশ করিনি আমরা। যখনই মেনু ঠিক করে ফেলা হবে, তখনই সরকারিভাবে সেই তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হবে। (ততক্ষণ) ভুয়ো তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।’
‘ভুয়ো’ মেনুতে কী কী বলা হয়েছিল?
যে তালিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ইসকন কলকাতার সহ-সভাপতি তথা মুখপাত্র, তাতে দাবি করা হয়েছিল যে সোমবার মিড ডে মিলের মেনুতে থাকবে ভাত এবং সয়াবিন। মঙ্গলবার থাকবে ভাত, ডাল এবং আলু চোখা। বুধবার পোলাও এবং মটর পনির দেওয়া হবে পড়ুয়াদের। বৃহস্পতিবার থাকবে ভাত এবং কুমড়ো চানা। শুক্রবার ভাত এবং মিক্সড ভেজিটবল বা কাবুলি চানা থাকবে। আর শনিবার দেওয়া হবে খিচুড়ি এবং পাপড় বা মিষ্টি।
ডিম না দেওয়ারই ইঙ্গিত?
তারইমধ্যে ডিম নিয়ে একটি ‘বিভ্রান্তিকর’ ধারণা নিয়েও মুখ খুলেছেন ইসকন কলকাতার সহ-সভাপতি। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেছেন যে 'একটা সাধারণ ভ্রান্ত ধারণা আছে যে ডিমেই শুধু প্রচুর প্রোটিন থাকে। আর নিরামিষাশী খাবারে প্রোটিনের অভাব থাকে। সয়াবনি, রাজমা, পনির, বিনস এবং ডালেও একইরকমের উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিন থাকে। আমাদের মেনু ঠিক করার জন্য নির্দিষ্ট ডায়েটিশিয়ান আছেন। আমরা নিশ্চিত করব, ডিম থেকে শিশুরা যে পুষ্টি পায়, সেরকমই বা তার থেকে বেশি প্রোটিন এবং ভিটামিন যাতে আমাদের খাবারে পায়।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


