...
...
Next Story

CM Suvendu Adhikari: 'SIR-র সিদ্ধান্ত কারও একার...,' নির্বাচন কমিশনের বিবৃতির ছবি নিয়ে বড় দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, কটাক্ষ...

CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, 'তৃণমূলের করা মামলার ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে হাই কোর্টের মাধ্যমে জেলা বিচারকদের নিয়োগ করা হয়েছিল। ইআরও-র ভূমিকাকে কার্যত অস্বীকার করে বিচারব্যবস্থা নাম বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।'

Published on: Sep 27, 2026, 13:36:05 IST
Advertisement

CM Suvendu Adhikari: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে (SIR) কেন্দ্র করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই ইস্যুতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। পাল্টা চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দু'জনের মধ্যে কথা হয়েছে ফোনেও। পাশাপাশি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ঠিক এমন এক আবহে রবিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দেশে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই হয়েছে, কারও একার সিদ্ধান্তে নয়। তাঁদের মধ্যে কোনও মতবিরোধ যে নেই, তা শনিবার তিন জনের সম্মিলিত বৈঠকের ছবি থেকেই স্পট। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের ‘বন্ধুত্ব’কেও কটাক্ষ করলেন।

নির্বাচন কমিশনের বিবৃতির ছবি নিয়ে বড় দাবি মুখ্যমন্ত্রীর (ANI Video Grab  )
নির্বাচন কমিশনের বিবৃতির ছবি নিয়ে বড় দাবি মুখ্যমন্ত্রীর (ANI Video Grab )

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্টে দাবি করা হয়, এসআইআর চলাকালীন দেশের তিন নির্বাচন কমিশনার সর্বসম্মত ভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অনেক সিদ্ধান্তের সঙ্গেই দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী একমত হচ্ছেন না। গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার দুই কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তে লিখিত ভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয় ওই রিপোর্টে। কমিশনের অন্দরের এই ‘বিরোধ’ প্রকাশ্যে আসার পর গোটা দেশ তোলপাড়। বিরোধীরা একজোট হয়ে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে শনিবারই তিন কমিশনার বৈঠকে বসেন। তাঁদের একত্রে বসার ছবি প্রকাশ করে নির্বাচন সদন। সেই ছবি নিয়ে রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় যাঁদের হজম হচ্ছে না, তাঁরা একটি প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে শোরগোল করার চেষ্টা করছেন।’

শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, '৬০ লক্ষ যৌক্তিক অসঙ্গতির মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাতিল করেছেন বিচারকেরা।' তাঁর বক্তব্য, 'তৃণমূলের করা মামলার ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে হাই কোর্টের মাধ্যমে জেলা বিচারকদের নিয়োগ করা হয়েছিল। ইআরও-র ভূমিকাকে কার্যত অস্বীকার করে বিচারব্যবস্থা নাম বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।' সম্প্রতি বিরোধীদের একজোট হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতিকেও কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘কংগ্রেস থেকে ঘাড়ধাক্কা খেয়েছিলেন মমতা। অটলজি (অটল বিহারী বাজপেয়ী) ১৯৯৮ সালে তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাই হয় ৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচার, অবিচারের অবসানের জন্য। সেই সিপিএম এখন ওদের বন্ধু হয়েছে।’ শনিবার শ্রীরামপুরে সভা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, সেখানে ১৫০ জন লোক হয়েছে। পুলিশ ছিল ১৭০ জন। মিডিয়া, পুলিশ মিলিয়ে মেরেকেটে ৫০০ জন লোক হয়েছিল সেখানে। ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল যে দল, ৬ বারের সাংসদ ছিলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর সভার এই হাল বুঝিয়ে দিচ্ছে মমতার দলের জনভিত্তি কোথায়? মমতা এআইটিসি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নাম বদলেছে, প্রতীক বদলেছে এবং দলও একাধিক ভাগে বিভক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কাছে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks