...
...
Next Story

JU Hijab Row: 'পরীক্ষার সময় হিজাব খুলতে বলা হয়', বিতর্ক যাদবপুরে, অধ্যাপক বললেন ‘চিটিং হচ্ছিল’

হিজাব বিতর্ক আছড়ে পড়ল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বুধবার যাদবপুরে সমাবর্তন ছিল। সেইসময় একটি পোস্টার ভেসে ওঠে। তাতে লেখা ছিল, 'যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামফোবিয়ার কোনও জায়গা নেই।' যদিও অধ্যাপকদের দাবি, অহেতুক অভিযোগ করা হচ্ছে।

Published on: Dec 25, 2025, 06:58:50 IST
Advertisement

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আছড়ে পড়ল হিজাব বিতর্ক। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের শেষলগ্নে একটি পোস্টার দেখা যায়। তাতে লেখা ছিল, 'যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামফোবিয়ার কোনও জায়গা নেই।' সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজেদের স্নাতক ডিগ্রির সম্মান গ্রহণের সময় ইংরেজির স্নাতকোত্তরের প্রথম বর্ষের দুই পড়ুয়া প্রতিবাদ জানান। তাঁদের অভিযোগ, গত সোমবর পরীক্ষার সময় স্রেফ সন্দেহের বশে স্নাতকের তৃতীয় বর্ষের দুই ছাত্রীর হিজাব খুলতে বলেন এক অধ্যাপক। যদিও অধ্যাপকরা ইসলামফোবিয়ার যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, পরীক্ষার সময় জালিয়াতি করতে গিয়ে কয়েকজন পড়ুয়া ধরা পড়েছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে নজরদারি আরও কড়া করা হয়েছিল। কাউকে সন্দেহ হলে ফের পরীক্ষা করা হচ্ছিল। তাছাড়া হিজাব পরে আরও কয়েকজন পরীক্ষা দেন। তাঁদের কোনও সমস্যা হয়নি। পুরো বিষয়টি নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। যোগ করে দেওয়া হচ্ছে ইসলামফোবিয়ার বিষয়টি।

পরীক্ষায় হেডফোন ব্যবহার! ধরা হয় কয়েকজনকে

সমাবর্তনের দিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
সমাবর্তনের দিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক অধ্যাপক বলেছেন যে ‘হেডফোন ব্যবহার করার জন্য গত সপ্তাহে কমপক্ষে চারজন পরীক্ষার্থীকে ধরা হয়েছে। ওরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নয়। সেদিনই পরীক্ষার সময় হেডফোন ব্যবহার করায় হুডি পরে থাকা এক পড়ুয়াকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন রিসার্চ স্কলার। আমরা সতর্ক করা হয়েছিল। আর যে পড়ুয়াদের দেখে সন্দেহ হচ্ছিল, তাদের ফের পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।’

ইসলামফোবিয়ার কথা বলে শিক্ষকদের টার্গেট?

সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘এটা পরিষ্কার করে দেওয়া উচিত যে আরও একজন পড়ুয়া হিজাব পরেছিল। তার পরীক্ষা করা হয়নি। হিজাব পরে বিশেষভাবে এক সক্ষম প্রার্থীও লাইব্রেরিতে পরীক্ষা দিচ্ছিল। তাকে পরীক্ষা করা হয়নি।’ অপর এক অধ্যাপক আবার হতাশার সুরে জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের এমন কাজে তাঁরা যারপরনাই বিরক্ত হয়েছেন। যদি শিক্ষকদেরই এরকমভাবে নিশানা করা হয়, তাহলে তাঁদের পক্ষে নিজেদের কাজ করা অসম্ভব হয়ে উঠবে। তাঁর কোনও সহকর্মীই 'ইসলামফোবিয়া ভোগেন না বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ওই অধ্যাপক।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কী বলছে?

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe