...
...
Next Story

Jadavpur University SFI-ABVP Clash: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি-এসএফআই সংঘর্ষ, রাতভর উত্তেজনা

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার সন্ধ্যায় ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একটি জেনারেল বডি মিটিং ঘিরে। জানা গিয়েছে, এসএফআই এবং এফইটিএসইউ নিয়ন্ত্রিত ডিএসএফের উদ্যোগে ওই বৈঠক চলছিল। সেখানে এবিভিপি সমর্থকদের সঙ্গে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের বচসা হয়। পরে সেই বচসায় এসএফআইও জড়িয়ে পড়ে।

Published on: Aug 20, 2026, 08:54:00 IST
Advertisement

Jadavpur University SFI-ABVP Clash: ছাত্র সংঘর্ষে বুধবার রাতে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এবিভিপি ও এসএফআই সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দু’পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ছাত্র সংঘর্ষে বুধবার রাতে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। (HT_PRINT)
ছাত্র সংঘর্ষে বুধবার রাতে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। (HT_PRINT)

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার সন্ধ্যায় ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একটি জেনারেল বডি মিটিং ঘিরে। জানা গিয়েছে, এসএফআই এবং এফইটিএসইউ নিয়ন্ত্রিত ডিএসএফের উদ্যোগে ওই বৈঠক চলছিল। সেখানে এবিভিপি সমর্থকদের সঙ্গে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের বচসা হয়। পরে সেই বচসায় এসএফআইও জড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষের দিকে যায়।

এবিভিপির অভিযোগ, প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। তাঁদের দাবি, প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন মিলে এবিভিপি সমর্থকদের উপর চড়াও হন। ঘটনায় অন্তত চারজন এবিভিপি সমর্থক আহত হয়েছেন বলে সংগঠনের দাবি। তাঁদের যাদবপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।

অভিযোগ উঠেছে, এবিভিপির নেতা নিখিল দাসের উপরও হামলা হয়েছে। আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রাতে হাসপাতালে পৌঁছন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তিনি আহত ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেন।

ঘটনার জেরে যাদবপুর থানার সামনেও বিক্ষোভ দেখান এবিভিপি সমর্থকেরা। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। তাঁদের প্রশ্ন, বর্তমানে কোনও বৈধ ছাত্র ইউনিয়ন নেই। এমনকি ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়েও সরকারের তরফে কোনও নতুন নির্দেশ বা বিজ্ঞপ্তি নেই। তাহলে কীভাবে জেনারেল বডি মিটিং ডাকা হল?

অন্যদিকে, এসএফআইয়ের বক্তব্য ভিন্ন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্যের দাবি, ঘটনার শুরুতে এসএফআই সেখানে ছিল না। পরে বিজেপির তরফে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বলে তিনি জানান। তিনি ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে এবিভিপিকে চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দিয়েছেন।

সৃজন বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে ছাত্রভোট ঘোষণা করা হোক। নির্বাচনে এসএফআইয়ের সঙ্গে সরাসরি লড়াই করার আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে, বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় এসএফআইয়ের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সৃজন ভট্টাচার্যের উদ্দেশে তিনি কড়া হুঁশিয়ারিও দেন। তাঁর অভিযোগ, বামপন্থী সংগঠনগুলি পরিকল্পিতভাবে যাদবপুরকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি আরও রাজনৈতিক রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দু’পক্ষই আলাদা মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবিভিপির মিছিল গোলপার্ক থেকে বের হওয়ার কথা। এসএফআইয়ের মিছিল হবে এইট বি বাসস্ট্যান্ড থেকে।

ফলে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশও সতর্ক রয়েছে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে উত্তেজনা অবশ্য নতুন নয়। তবে এ দিনের সংঘর্ষ ঘিরে ফের সামনে এল ছাত্র সংগঠনগুলির পারস্পরিক সংঘাত। এখন নজর, বৃহস্পতিবারের মিছিলকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe