রাজ্যজুড়ে এসআইআর আতঙ্ক ক্রমেই বেড়ে চলেছে। কবি জয় গোয়ামী, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের পর এবার এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। রবিবার যাদবপুরের কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যালয়ে হাজিরা দেন তিনি। তবে গোটা ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক। এত লোককে ডাকা হচ্ছে, এর কোনও মানে আছে?’

গত ২৭ অক্টোবর বাংলা-সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয় এসআইআর প্রক্রিয়া। নির্ধারিত দিনে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর এখন চলছে শুনানি। বহু মানুষ শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। সামান্য নামের বানান ভুলেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর নিয়ে একাধিকবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দিয়েছেন। এসআইআরে নামী-দামী মানুষ থেকে সাধারণ মানুষ ডাক পেয়েছেন। অসুস্থ অবস্থায় প্রবীণদের শুনানির লাইনে দেখা গিয়েছে। এসব নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই এবার শুনানিতে ডাক পেয়ে হাজিরা দিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। রবিবার যাদবপুরের কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যালয়ে হাজিরা দেন তিনি। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ উপাচার্য। রবিবার যে স্কুলে চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য হাজিরা দিতে যান, সেখানে বহু প্রবীণ নাগরিকের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে। যাঁদের একাংশ ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারেন না। তা সত্ত্বেও অসুস্থ, অশক্ত শরীরে তাঁদের আসতে হয়েছিল নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে। সে সব বিষয় নিয়ে যাদবপুরের ভিসি অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
তবে কিছু দিন আগে মৌলালি যুবকেন্দ্রে ‘বাংলা একতা মঞ্চ’ নামে একটি সংগঠন আয়োজিত ‘এসআইআর’-বিরোধী সভায় গিয়ে বাংলা ভাষা ও বাঙালিয়ানার স্বাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বক্তৃতা দিয়েছিলেন। তারপরে তাঁকে এই ভাবে হাজিরা দিতে হচ্ছে দেখে শিক্ষা মহলের অনেকেই স্তম্ভিত। কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের যাদবপুর ২১ এ নর্থ রোডে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। কলকাতার বুকে লেখাপড়া, বেড়ে ওঠা, দীর্ঘদিনের সফল কেরিয়ার। তা সত্ত্বেও এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়ে হতাশ চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, আগামী ১৪ জানুয়ারি কাটজুনগর স্বর্ণময়ী স্কুলে শুনানিতে হাজিরা দেবেন সাংসদ-অভিনেতা দেব এবং ২০ জানুয়ারি যাবেন ক্রিকেটার মহম্মদ শামি। বলে রাখা ভালো, চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য ১৯৮৩ সালে লেকটাউনের একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। তাঁর থেকে ২ বছরের জুনিয়র ছিলেন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন সেখানে অধ্যাপনা করেছেন। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে তিনি। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পদেও রয়েছেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
{{/usCountry}}তবে কিছু দিন আগে মৌলালি যুবকেন্দ্রে ‘বাংলা একতা মঞ্চ’ নামে একটি সংগঠন আয়োজিত ‘এসআইআর’-বিরোধী সভায় গিয়ে বাংলা ভাষা ও বাঙালিয়ানার স্বাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বক্তৃতা দিয়েছিলেন। তারপরে তাঁকে এই ভাবে হাজিরা দিতে হচ্ছে দেখে শিক্ষা মহলের অনেকেই স্তম্ভিত। কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের যাদবপুর ২১ এ নর্থ রোডে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। কলকাতার বুকে লেখাপড়া, বেড়ে ওঠা, দীর্ঘদিনের সফল কেরিয়ার। তা সত্ত্বেও এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়ে হতাশ চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, আগামী ১৪ জানুয়ারি কাটজুনগর স্বর্ণময়ী স্কুলে শুনানিতে হাজিরা দেবেন সাংসদ-অভিনেতা দেব এবং ২০ জানুয়ারি যাবেন ক্রিকেটার মহম্মদ শামি। বলে রাখা ভালো, চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য ১৯৮৩ সালে লেকটাউনের একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। তাঁর থেকে ২ বছরের জুনিয়র ছিলেন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন সেখানে অধ্যাপনা করেছেন। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে তিনি। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পদেও রয়েছেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
{{/usCountry}}