Japanese investment in Bengal: দুর্গাপুর বা পানাগড়ে বড় লগ্নি জাপানি সংস্থার? রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা, তৈরি জমিও
Japanese investment in Bengal: দুর্গাপুর অথবা পানাগড়ে বড়সড় লগ্নি করতে চলেছে জাপানি সংস্থার? রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা করে গেলেন জাপানি সংস্থার দুই আধিকারিক। তাঁরা চলতি মাসের শেষের দিকে ফের আলোচনায় বসবেন রাজ্যের সঙ্গে।
Japanese investment in Bengal: পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের ইচ্ছাপ্রকাশ করল বড় জাপানি সংস্থা। একটি বণিক গোষ্ঠীর অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, জাপানি সংস্থা মিতসুবিশি সেমিকন্ডাক্টর কেন্দ্র তৈরি করতে মুখিয়ে আছে। সেই প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনা করতে ইতিমধ্যে শিল্পমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের সঙ্গে দেখা করেছেন মিতসুবিশি কেমিক্যাল গ্রুপের দুই প্রতিনিধি তোমোফুমি কোয়ামা এবং তেরুও ফুচিতা। প্রাথমিকভাবে তাঁদের সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও বিস্তারিতভাবে আলোচনার জন্য চলতি মাসের শেষের দিকে জাপানি সংস্থার প্রতিনিধিরা ফের তাঁদের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী।

দুর্গাপুর ও পানাগড়ের নাম দেওয়া হয়েছে জাপানি সংস্থাকে
তবে সেই সেমিকন্ডাক্টর কারখানা কোথায় তৈরি করা হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। শিল্পমন্ত্রী জানিয়েছেন, সেমিকন্ডাক্টর কারখানা তৈরির জন্য জাপানি সংস্থাকে দুর্গাপুর এবং পানাগড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আর যে পরিমাণ জমি লাগবে, তা খুব বেশি নয়। সহজেই প্রয়োজনীয় জমির ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে বলে আশ্বস্ত করেছেন শিল্পমন্ত্রী।
GCC নীতি থেকে শিল্পনীতি থেকে স্টার্ট-আপ নীতি
এমনিতে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতনের পশ্চিমবঙ্গকে শিল্পের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে মরিয়া বিজেপি সরকার। সেই রেশ ধরে ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিল্প সংস্থার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিশেষভাবে দেওয়া হয়েছে সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে। সবপক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেটে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে 'গ্লোবাল কেপিবিলিটি সেন্টার' (জিসিসি) নীতি তৈরি করা হবে। যাতে পশ্চিমবঙ্গকে বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনের ‘ডেস্টিনেশন’ হিসেবে তুলে ধরা যায়।
রাজ্য সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে শীঘ্রই একটি খসড়া শিল্পনীতির ঘোষণা করা হবে। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে ঘোষণা করা হবে স্টার্ট-আপ নীতিরও। শিল্পমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০৩১ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গকে উৎপাদনের হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেজন্য জোর দেওয়া হচ্ছে ভারী শিল্পে। অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে শিল্প করিডর, খনন, শিল্পপার্ক-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে।
পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ?
এমনকী কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, দিল্লিতে যখন ছিলেন, তখন শুনেছিলেন যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের পশ্চিমবঙ্গের দিকে বাড়তি নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই পরিস্থিতিতে রাজ্যের জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজেরও ঘোষণা করা হতে পারে বলে আশাবাদী শিল্পমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


