ED: জমি দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! অভিযুক্ত প্রাক্তন ডিসিপি, কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের যাবতীয় কুকীর্তি ফাঁস করতে এবার আদালতে রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন এই মামলারই আরেক অভিযুক্ত - বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার (Joy Kamdar)। এই মর্মে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে আবেদন জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার মামলাটির শুনানি চলাকালীন কলকাতার নগর ও দায়রা আদালতে (ইডি বিশেষ আদালত) তিনি এই কথা প্রকাশ করেন। তবে ইডি (ED) তাঁর এই আবেদন গ্রহণ করবে কিনা অথবা আদালত তা মঞ্জুর করবে কিনা, তা এখন বিবেচনাধীন। পরবর্তী শুনানিতে সম্ভবত তা জানা যাবে।

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই জমি দুর্নীতি মামলার কিনারা করতে নেমেছিল ইডি। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের সূত্র ধরে বিরাট আর্থিক তছরূপের সন্ধান পান ইডি আধিকারিকরা। তাঁকে গ্রেফতারের পর উঠে আসে বেহালার রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জয় কামদারের নাম। শান্তনু, জয় ও কসবার কুখ্যাত দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু - এই ত্রিফলায় কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র কোটি কোটি টাকার জমি দুর্নীতির খোঁজ পান ইডি আধিকারিকরা। তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে বিস্ফোরক সমস্ত তথ্য পান তদন্তকারীরা। আদালতে তা পেশ করা হয়। তাঁদের এই বিপুল অঙ্কের আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে হাওয়ালা যোগ স্পষ্ট বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এমনকী মালয়েশিয়া, ব্রিটেন, দুবাইয়ের হাওয়ালা অপারেটরদের সঙ্গেও জয়ের কথাবার্তার যোগ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তাঁর কোটি কোটি টাকা ব্যাঙ্ক লেনদেনের কোনও উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি, এই দাবি করে ইডি। পরবর্তী সময়ে শান্তিনিকেতনে জয় ও শান্তনুর বিশাল রিয়েল এস্টেটের খোঁজ পান তদন্তকারীরা। সে সবই কালো টাকায় বেআইনিভাবে তৈরি।
এত অভিযোগের পর জয় কামদার সম্প্রতি নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন ইডি আদালতে। একইসঙ্গে জামিনও চান। শুনানিতে ইডির আইনজীবী আদালতকে জানান, জয় কামদারের রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদনের বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। আবেদনটি খতিয়ে দেখে মতামত জানাতে কিছু সময় প্রয়োজন। সেই আর্জি মেনে বিশেষ আদালত বিষয়টি বিবেচনার জন্য আগামী ২৫ অগস্ট পর্যন্ত সময় দিয়েছে। শান্তনু, সোনা পাপ্পুদের অন্দরের খবর পেতে কি রাজসাক্ষী হিসেবে জয়কে বিশ্বাসযোগ্য মনে করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? উত্তরের দিকে তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল।
{{/usCountry}}এত অভিযোগের পর জয় কামদার সম্প্রতি নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন ইডি আদালতে। একইসঙ্গে জামিনও চান। শুনানিতে ইডির আইনজীবী আদালতকে জানান, জয় কামদারের রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদনের বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। আবেদনটি খতিয়ে দেখে মতামত জানাতে কিছু সময় প্রয়োজন। সেই আর্জি মেনে বিশেষ আদালত বিষয়টি বিবেচনার জন্য আগামী ২৫ অগস্ট পর্যন্ত সময় দিয়েছে। শান্তনু, সোনা পাপ্পুদের অন্দরের খবর পেতে কি রাজসাক্ষী হিসেবে জয়কে বিশ্বাসযোগ্য মনে করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? উত্তরের দিকে তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল।
{{/usCountry}}