Kakoli Ghosh Dastidar Cryptic Post: 'মানুষ চিনতে এত ভুল করলাম!! একটাই জীবন, ধ্বংস হয়ে গেল', ইঙ্গিতবাহী পোস্ট কাকলির
Kakoli Ghosh Dastidar Cryptic Post: সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতবাহী পোস্ট করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর ছেলে আবার বলেছেন, ‘আমার মা কিংস কলেজ লন্ডনে শিক্ষিত। এমন অশিক্ষিত জঞ্জালের সঙ্গে রাজনীতি করাটাই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।’
Kakoli Ghosh Dastidar Cryptic Post: 'মানুষ চিনতে এত ভুল করলাম!! একটাই তো জীবন, ধ্বংস হয়ে গেল' - বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সেই পোস্ট নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠল। শনিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে ওই পোস্ট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের 'প্রাক্তন' তথা ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (এনসিপিআই) সাংসদ। তবে কোন মানুষকে চিনতে ভুল করেছেন, তা অবশ্য খোলসা করেননি। আর সেই পরিস্থিতিতে কটাক্ষ উড়ে এসেছে বারাসতের সাংসদের দিকে। তেমনই একজন বলেছেন, ‘বারাসতের লোকজন ঠিক এটাই ভাবছে এখন।’ কেউ-কেউ আবার পশ্চিমবঙ্গে পালাবদল হতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ছেড়ে কাকলি যে বিজেপির ‘ঘনিষ্ঠ’ হয়েছেন, তা নিয়েও কটাক্ষ করেছেন।

কয়েক ঘণ্টা আগেই মোদী-সাক্ষাৎ, করেন প্রশংসা
এমনিতে ওই পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে প্রাতঃরাশ সেরেছেন কাকলিরা। ওই বৈঠকে কাকলির সঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যাওয়া ২০ জন সাংসদের মধ্যে ১৯ জনই ছিলেন। আর সেই বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন বারাসতের সাংসদ। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর জ্ঞান এবং তিনি যেভাবে তাঁদের সঙ্গে ব্যবহার করেছেন, তাতে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন।
'আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব’
কাকলির কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে গত ২০ বছর বা এমনকী মাত্র এক বছর ধরে যাঁরা এনডিএয়ের (বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট) সঙ্গে আছেন, তাঁরা সবাই (এই) পরিবারের সদস্য। তিনি বলেছেন, আমরা পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আটটি রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কঠোর পরিশ্রম করব। আমরা সবাই মিলে কাজ করব। তিনি আমাদের অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বার্তা দিয়েছেন যে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব।’
‘বাংলার অগ্রগতি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে’, দাবি কাকলির
শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে কাকলি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আজ জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবস, তাই বাংলার কাঁথা কাজের উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানালাম দেশের প্রধানমন্ত্রী সম্মানীয় নরেন্দ্র মোদী মহাশয়কে। ওনার খুব পছন্দ হয়েছে। কলকাতার হৃত গৌরব ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগী উনি, বাংলার অগ্রগতি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে।'
----------------------------------------------------------------------------------------------------
আপডেট: প্রাথমিকভাবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার পোস্ট করেন, 'মানুষ চিনতে এত ভুল করলাম!! একটাই তো জীবন, ধ্বংস হয়ে গেল।' পরে সেটা এডিট করে লেখেন, ‘চল্লিশ বছর ধরে মানুষ চিনতে এত ভুল করলাম!! একটাই তো জীবন, জীবনটা প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছিল’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


