Kakoli Vs Kalyan: তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদের বিরোধ এবার সরাসরি পৌঁছে গেল লোকসভার স্পিকারের কাছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার লিখিতভাবে স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সংসদের ভিতরে তাঁর আচরণ ও মন্তব্যে তিনি অপমানিত হয়েছেন বলেই অভিযোগ করেছেন কাকলি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সূত্রের খবর, সংসদের অধিবেশন চলাকালীন কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই দুই সাংসদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। সেই সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আচরণে কাকলি ঘোষ দস্তিদার অসন্তুষ্ট হন বলে জানা গিয়েছে। পরে তিনি পুরো বিষয়টি লিখিতভাবে লোকসভার স্পিকারের নজরে আনেন। যদিও অভিযোগের নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পিকারের কাছে পাঠানো চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার সংসদের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাংসদদের আচরণ সংসদের পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে। সেই কারণেই তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি।
এদিকে একই দলের দুই সাংসদের এই বিরোধ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলির একাংশ দাবি করেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে মতবিরোধ ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। যদিও শাসকদলের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের পরে লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাকলিকে। সেই পদে ফেরানো হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপর একের পর এক দলীয় পদ ত্যাগ করেছেন কাকলি। সম্প্রতি আবার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। আবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ দাগেন কাকলিকে। এবার সেই বিরোধ চলে গেল স্পিকারের চেম্বারে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের পরে লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাকলিকে। সেই পদে ফেরানো হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপর একের পর এক দলীয় পদ ত্যাগ করেছেন কাকলি। সম্প্রতি আবার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। আবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ দাগেন কাকলিকে। এবার সেই বিরোধ চলে গেল স্পিকারের চেম্বারে।
{{/usCountry}}প্রতিবেদন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সংসদ চলাকালীন তৃণমূলের বিভিন্ন সাংসদের মধ্যে একাধিক ইস্যুতে মতপার্থক্যের খবর আগেও সামনে এসেছে। তবে এবার সরাসরি স্পিকারের কাছে অভিযোগ দায়ের হওয়ায় ঘটনাটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন লোকসভার স্পিকারের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।