Kalighat OC Suspended: 'ওসি কালীঘাট।' কলকাতা পুলিশের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে গত দেড় দশক ধরে এই পদ অতি গুরুত্বপূর্ণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আপত্তিকর’ ছবি পোস্ট করার জেরে শেষ পর্যন্ত শাস্তির মুখে পড়লেন সেই কালীঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) গৌতম দাস। বিতর্কিত ওই ছবিকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার তাঁকে সাসপেন্ড করল কলকাতা পুলিশ। তাঁর জায়গায় কালীঘাট থানার নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে।

জানা গিয়েছে, কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাস নিজের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে পুলিশের উর্দি পরা অবস্থায় চেয়ারে বসে একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি পোস্ট করেছিলেন (যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা)। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘নতুন দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত।’ তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এই ছবিটিকে ‘আপত্তিকর’ ও ‘হুমকিমূলক’ বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হন। তিনি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে চিঠি দিয়ে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান। জয়প্রকাশ মজুমদার তাঁর এক্স পোস্টে একটি ফেসবুক আইডিও দেন। যদিও সেই আইডির পোস্ট মুছে ফেলা হয়েছে। তৃণমূল নেতার মতে, ‘এ ধরনের ছবি শুধু অস্বস্তিকর নয়, আইনের চোখেও অত্যন্ত আপত্তিকর। ওই ছবি থেকে স্পষ্ট, তিনি অত্যাধুনিক বন্দুক নিয়ে কাউকে নিশানা করছেন।’
লালবাজার সূত্রে খবর, তদন্ত ও বিতর্কের মাঝে গৌতম দাসকে তাঁর পদ থেকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। তাঁর জায়গায় কালীঘাট থানার নতুন ওসি হিসেবে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ করা হয়েছে। শুক্রবার জয়প্রকাশ তাঁর আপত্তির সপক্ষে কয়েকটি যুক্তি খাড়া করেছিলেন। তাঁর মতে, ‘পশ্চিমবঙ্গে কর্তব্যরত কোনও পুলিশ কর্মকর্তা ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় নিজের ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করতে পারেন না। সেটি কলকাতা পুলিশের সমাজমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকাতে উল্লেখ রয়েছে। অন্য অনেক রাজ্যেই এ ধরনের বিধিনিষেধ বলবৎ রয়েছে। পাশাপাশি, সমাজমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত ভারত সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, হুমকিমূলক কোনও ধরনের ক্যাপশন-সহ অস্ত্রের ছবি প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।’ তাছাড়া, কালীঘাট থানার ওসির হাতে যে ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, তা তাঁর জন্য আদৌ বরাদ্দ করা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল।
{{/usCountry}}লালবাজার সূত্রে খবর, তদন্ত ও বিতর্কের মাঝে গৌতম দাসকে তাঁর পদ থেকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। তাঁর জায়গায় কালীঘাট থানার নতুন ওসি হিসেবে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ করা হয়েছে। শুক্রবার জয়প্রকাশ তাঁর আপত্তির সপক্ষে কয়েকটি যুক্তি খাড়া করেছিলেন। তাঁর মতে, ‘পশ্চিমবঙ্গে কর্তব্যরত কোনও পুলিশ কর্মকর্তা ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় নিজের ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করতে পারেন না। সেটি কলকাতা পুলিশের সমাজমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকাতে উল্লেখ রয়েছে। অন্য অনেক রাজ্যেই এ ধরনের বিধিনিষেধ বলবৎ রয়েছে। পাশাপাশি, সমাজমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত ভারত সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, হুমকিমূলক কোনও ধরনের ক্যাপশন-সহ অস্ত্রের ছবি প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।’ তাছাড়া, কালীঘাট থানার ওসির হাতে যে ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, তা তাঁর জন্য আদৌ বরাদ্দ করা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার প্রাক্কালে কালীঘাট থানার ওসি পদে একাধিকবার রদবদল করা হয়েছিল। গত ২৯ মার্চ উৎপল ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও এক মাসের মাথায় তাঁকে সরিয়ে গৌতম দাসকে আনা হয়েছিল। তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে ছিলেন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই বিতর্কিত পোস্টের জেরে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হলো এবং চামেলি মুখোপাধ্যায়কে নতুন দায়িত্ব অর্পণ করা হলো।