Kalyan on Kunal egg attack: 'যেভাবে ডিম মারছে, রাস্তায় তো হাঁটতে পারব না', কুণাল আক্রান্ত হতেই তোপ কল্যাণের
Kalyan on Kunal egg attack: 'যেভাবে ডিম মারছে, রাস্তায় তো হাঁটতে পারব না', বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষের উপরে ডিম হামলা হতেই মুখ খুললেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
Kalyan on Kunal egg attack: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে কুণাল ঘোষকে ডিম ছুড়ে মারা হয়েছে। তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপিকে আক্রমণ করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যেভাবে ডিম ছুড়ে মারা হচ্ছে, তাতে রাস্তায় হাঁটাচলা করা দায় হয়ে উঠেছে। যা ঘটছে, তা পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রের জন্য চরম লজ্জাজনক বলেও দাবি করেছেন কল্যাণ। সেইসঙ্গে পুলিশকে নিশানা করে তিনি দাবি করেছেন, অফিসাররা পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে আছেন।

পুলিশ পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে আছে, অভিযোগ কল্যাণের
শ্রীরামপুরের সাংসদের কথায়, ‘এইসব করে ভয় দেখানো হচ্ছে সবাইকে। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রের জন্য এটা লজ্জা। আমি কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে ২০ মিনিট আগে ফোন করলাম। ২০ মিনিট হয়ে গেল। কিন্তু কেউ আসেনি এখনও। আর যত পুলিশ দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, সব একেবারে পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে আছে। তারা কোনও পদক্ষেপ নেবে না। শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে, সেটা ভাবা যায় না। এভাবে ডিম ছুড়ে-ছুড়ে মানুষকে ভয় দেখানো, ডিম ছুড়ে-ছুড়ে মারা, এরপর তো আমরা হাঁটতে-চলতে পারব না।’
দেহ পড়ে থাকবে, কিন্তু কণ্ঠস্বর রোধ করা যাবে না, দাবি কুণালের
অন্যদিকে কুণাল দাবি করেছেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ডিম নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে সব দেখে যাচ্ছে পুলিশ। কিন্তু তাতেও তাঁকে থামানো যাবে না বলে দাবি করেছেন কুণাল। তিনি দাবি করেছেন, দেহ পড়ে থাকবে। কিন্তু তাঁর কণ্ঠস্বর রোধ করা যাবে না বলে দাবি করেছেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক।
‘বাঁ-চোখটা অল্পের জন্য রক্ষা পেল’
তিনি বলেন, ‘মমতাদির বাড়ি থেকে বেরোলাম। মিডিয়ার প্রতিনিধিরা দাঁড়াতে বললেন। দাঁড়ালাম। সেই সময় একজন ডিম ছুড়ল। অন্যজন ছবি তুলছিল। বাঁ-চোখটা অল্পের জন্য রক্ষা পেল। পুলিশ ধরল না। জামাই আদর করে পালাতে দিল। আমি ভিতরে গেলাম। মাথা ধুলাম। নেত্রী ও নেতাদের জানালাম। পুলিশে অভিযোগ পাঠালাম। কল্যাণদা সাংবাদিকদের যা বলার বললেন। খবর ও ছবি এল আজও কয়েকজন দুষ্কৃতী ডিম, পাথর নিয়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে। আমি বললাম, ওরা যা পারে করুক। গাড়িতে উঠব না। মোড় অবধি হেঁটেই যাব। হেঁটে গেলাম।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


