...
...
Next Story

Troublemaker List Controversy: শঙ্কায় TMC! কীভাবে ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কমিশনের? ফের হাইকোর্টে আইনজীবী কল্যাণ

Troublemaker List Controversy: রাজ্যের অভিযোগ, পুরনো তালিকা খারিজ হওয়ার পরেও নতুন করে ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, 'আদালত যেখানে তালিকা বাতিল করেছে, সেখানে কমিশন কোন অধিকারে আবার ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলছে?'

Published on: Apr 28, 2026, 14:17:10 IST
Advertisement

Troublemaker List Controversy: প্রথম দফার ভোটের পর এবার দ্বিতীয় দফার ঠিক আগে ‘ট্রাবল মেকার’ বা গোলমাল সৃষ্টিকারীদের তালিকা প্রকাশ ও গ্রেফতারি নিয়ে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরেও তালিকা প্রকাশ করে ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ করতে বলছে, এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

ফের কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (HT_PRINT)
ফের কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (HT_PRINT)

এর আগে এই একই ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য এবং তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, শুধুমাত্র ‘ট্রাবল মেকার’ তকমা দিয়ে শাসক দলের প্রায় ৮০০ কর্মীকে গ্রেফতার বা ‘প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন’-এ রাখা হতে পারে। সেই সময় প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছিল যে, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা সীমাহীন নয়। সুনির্দিষ্ট আইন ছাড়া কাউকে ঢালাওভাবে ‘ট্রাবল মেকার’ চিহ্নিত করে আটক করা প্রাথমিক ভুল। কমিশনের ওই তালিকাটি আইনি ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছিল উচ্চ আদালত। আদালতের সেই নির্দেশের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সক্রিয় হয়েছে কমিশন।

রাজ্যের অভিযোগ, পুরনো তালিকা খারিজ হওয়ার পরেও নতুন করে ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, 'আদালত যেখানে তালিকা বাতিল করেছে, সেখানে কমিশন কোন অধিকারে আবার ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলছে?' আদালতে আগের শুনানিতে কমিশনের আইনজীবী দাবি করেছিলেন যে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই আইনের পরিধির মধ্যে থেকে এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা যুক্তি দিয়েছিলেন যে, কাউকে গ্রেফতার বা আটক করতে গেলে নির্দিষ্ট অপরাধের রেকর্ড থাকতে হয়; কেবল অনুমানের ভিত্তিতে রাজনৈতিক কর্মীদের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া যায় না। দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক প্রাক্কালে এই মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ৩৫০ জনের ওপর যদি আইনি খাঁড়া নেমে আসে, তবে ভোটের ময়দানে তার বড় প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে শাসক দল। প্রধান বিচারপতি মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়ায় মঙ্গলবারই এই মামলার দ্রুত শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe