Kalyan Banerjee Raection on Abhishek Banerjee: আর কোনও রাখঢাক নয়। এবার তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যাওয়া বা বলা চলে উঠে যাওয়ার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুমিত রায়, অনুব্রত মণ্ডল থেকে শুরু করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সবাইকে একযোগে আক্রমণ করতে গিয়ে অভিষেককেই কাঠগড়ায় তুলেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। আর তা নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু রাজনৈতিক আঙিনায়।

মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'ক্যামাক স্ট্রিটে সুমিত রায়ের সঙ্গে যারা কথা বলতো, সংগঠন চালানোর জন্য তাঁরাই বেশি কথাবার্তা বলেছে। তাঁদের এখন ডেকে ডেকে পুলিশ বলছে, ওই শালবনির কেসের সঙ্গে যোগ আছে সুমিতের। বেশি যদি বাড়াবাড়ি করো ঢুকিয়ে দেব জেলে। এটা এখন পুলিশের পিকচার হয়ে গিয়েছে। বলছে, হয় ঋতব্রতর ক্যাম্পে যাও, না হলে ধরে নেব। সুমিত রায়ের জন্য আজ অসংখ্য ছেলে এই চাপের মুখে পড়ছে। ক্যামাক স্ট্রিটটা শেষ করে দিল আমাদের।'
এরপরেই একহাত নেন তৃণমূলের বিদ্রোহী-বিক্ষুব্ধ শিবিরের বিরুদ্ধেও। সুর চড়য়িছেন আইপ্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও। বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে সাংসদ বলেন, 'সুমিত দিনে দু'বার কথা বললে ওরাই ভাবতো জীবন ধন্য হয়ে গিয়েছে। যখন আমি আই-প্যাকের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছি তখন তো আমার পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। আই-প্যাকের থেকে সব সুবিধা নিয়েছো, নিজেদের নেতা বলে প্রতিষ্ঠা করেছো। নিজেদের অভিষেকের লোক বলে চাপ সৃষ্টি করেছ। আজ তারা অভিষেকের বিরুদ্ধে বলছে। আজ, যাঁরা বিক্ষুব্ধ, তাঁরাই তো অভিষেকের সঙ্গে ছিলে। তোমরাই তো ওর থেকে সব পেয়েছ। তোমরাই তো আই-প্যাককে মাথায় তুলেছ। সেই কারণেই তো দলের এই হাল।' আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, 'আজ, অনুব্রত, সুমিত, এরা এত চুরি কীভাবে করল? অভিষেকের মাথায় হাত ছিল বলে। সেই সাহসটা পেয়েছে ওরা। ঋতব্রত তো ধর্ষণে অভিযুক্ত ছিল। তাঁকে দলে নিয়েছিল অভিষেক। আজ দেখুন দলের অবস্থা কি করে দিয়েছে।'