Kamduni Case and Jyotipriya Mallick: কামদুনি ফাইল খুললে ফেঁসে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, বিস্ফোরক নির্যাতিতার ভাই
Kamduni Case and Jyotipriya Mallick: কামদুনি গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন নির্যাতিতা তরুণীর ভাই। সেইসঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও মুখ খুললেন।
Kamduni Case and Jyotipriya Mallick: কামদুনি মামলার ফাইল খুললে ফেঁসে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক? তৃণমূল কংগ্রেস সব পদ থেকে 'বালু' ইস্তফা দেওয়ার পরে এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন কামদুনি কাণ্ডের নির্যাতিতা তরুণীর ভাই। সেইসঙ্গে সরাসরি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (বর্তমানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী) বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন বাংলার সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, জ্যোতিপ্রিয় আশঙ্কা করছেন যে কামদুনি ফাইল ফের খুললে তিনি ফেঁসে যাবেন। কারণ ধর্ষণ ও খুন করেছিলেন তৃণমূল প্রধানের ভাইপো। ওই তৃণমূল প্রধান ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের লোক। এই মামলার প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্ত আছেন বলে দাবি করেছেন তরুণীর ভাই। আর নির্যাতিতা তরুণীর ভাইয়ের অভিযোগ নিয়ে আপাতত কোনও মন্তব্য করেননি জ্যোতিপ্রিয়। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

আমার সুগার ৩৫০-র উপরে, মমতাকে চিঠি বালুর
এমনিতে আজ মমতাকে চিঠি লিখে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ আমি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছি। আমার ৩৫০-র উপরে সুগার। কিডনিও খারাপ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শে আমার সম্পূর্ণ বিশ্রামের প্রয়োজন এবং কোনওপ্রকার মানসিক ও শারীরিক চাপ নেওয়া সম্ভব নয়। এই অবস্থায় দলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যপদের দায়িত্ব পালনে অব্যাহতি চেয়ে নিলাম।’
কামদুনির ভয়ংকর গণধর্ষণ ও হত্যা ঘটনা
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের জুনে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত সংলগ্ন কামদুনি গ্রামে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। ২১ বছরের তরুণী কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেইসময় নির্জন রাস্তা থেকে তাঁকে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। হত্যা করা হয়েছিল নৃশংসভাবে।
কামদুনির প্রতিবাদ
এই ঘটনার পর কামদুনি গ্রামের বাসিন্দারা, বিশেষ করে মৌসুমী কয়াল এবং টুম্পা কয়ালের মতো সাধারণ নারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিলেন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গঠিত হয়েছিল 'কামদুনি প্রতিবাদ মঞ্চ'। সেই আন্দোলন ভাঙার জন্য জ্যোতিপ্রিয়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছিল।
প্রাথমিকভাবে নিম্ন আদালতে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনজনকে দেওয়া হয়েছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। পরবর্তীতে ফাঁসির সাজা রদ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। দু'জনের মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একজনকে খালাস করা হয়। তিনজনকে
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


