WB Election 2026: পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে ‘ভুল তথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী কপিল সিবাল। শনিবার নয়া দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের মামলা খারিজ হয়নি, বরং বাংলার শাসকদলের আর্জিতেই স্বীকৃতি মিলেছে।
আদালতে আসলে কী হয়েছিল?

আগামী সোমবার অর্থাৎ, ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা। সেখানে কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরাই থাকবেন, সেই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। সেই মামলা খারিজ হয়ে যায়। এরপরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। শনিবার বিচারপতি পি এস নরসিমহা ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বিশেষ বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হয়েছে। বেঞ্চ আলাদা করে কোনও নির্দেশ জারি করেনি। তবে গত ১৩ এপ্রিল অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের জারি করা নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, ভোট গণনার সময়ে কেন্দ্র এবং রাজ্য, দুই সরকারেরই কর্মচারীরা থাকবেন। নিয়ম মেনে এ ভাবেই গণনা কর্মীদের নিয়োগ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা করে মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলি অসত্য খবর পরিবেশন করছে বলে অভিযোগ তুললেন সিবাল। তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের আর্জি খারিজ হয়নি।
প্রবীণ আইনজীবী বলেন, ‘এটা ব্যতিক্রমী মামলা। তাই এখানে এলাম। মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলি এই মামলা নিয়ে অন্য ভাবে খবর পরিবেশন করছে। ওরা বলছে, আমাদের মামলা খারিজ হয়ে গিয়েছে। এটা একেবারেই ভুল। হাইকোর্টে তৃণমূল বলেছিল, সার্কুলারটাই ভুল। কিন্তু হাইকোর্ট বলেছিল, সার্কুলার ঠিকই আছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে সার্কুলারকে চ্যালেঞ্জ করিনি। উল্টে আমরা বলেছি, এই সার্কুলারে যা বলা আছে, তা-ই যাতে কার্যকর করা হয়।’ সিবালের বক্তব্য, কমিশনের সার্কুলারেই ভোট গণনার সময়ে একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীর পাশাপাশি একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারীকে নিয়োগের কথা বলা রয়েছে। প্রয়োজনে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বাছাই করার ক্ষেত্রে ‘ব়্য়ান্ডম সিলেকশন’ পদ্ধতির কথাও বলা আছে। এই বিষয়টিই সুপ্রিম কোর্টের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল। সিবালের কথায়, ‘সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে যে, আমরা হাইকোর্টে সার্কুলারকে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম। কিন্তু আমরা যে সেটা এখন আর করছি না, সেটাও বলা হয়েছে। আমরা বলছি, এই সার্কুলারই কার্যকর করা হোক। এবার আমরা আশাবাদী। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে এবং রায়ের প্রতিলিপিতেও রয়েছে যে, সার্কুলারে যা লেখা রয়েছে, তার যা মূল বিষয়বস্তু, তা নজরে রেখেই পদক্ষেপ করবে। যেটা বলা হয়েছে, সেটা হলো, ভোট গণনার সময়ে কেন্দ্র এবং রাজ্য, দুই সরকারেরই কর্মচারীরা থাকবেন। কিন্তু মূলধারার সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, আমাদের মামলা খারিজ হয়ে গিয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভুল। ওদের কাছে সঠিক তথ্য দেখা উচিত।’
‘মনে হচ্ছে ওখানে সিজ হচ্ছে’
{{/usCountry}}প্রবীণ আইনজীবী বলেন, ‘এটা ব্যতিক্রমী মামলা। তাই এখানে এলাম। মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলি এই মামলা নিয়ে অন্য ভাবে খবর পরিবেশন করছে। ওরা বলছে, আমাদের মামলা খারিজ হয়ে গিয়েছে। এটা একেবারেই ভুল। হাইকোর্টে তৃণমূল বলেছিল, সার্কুলারটাই ভুল। কিন্তু হাইকোর্ট বলেছিল, সার্কুলার ঠিকই আছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে সার্কুলারকে চ্যালেঞ্জ করিনি। উল্টে আমরা বলেছি, এই সার্কুলারে যা বলা আছে, তা-ই যাতে কার্যকর করা হয়।’ সিবালের বক্তব্য, কমিশনের সার্কুলারেই ভোট গণনার সময়ে একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীর পাশাপাশি একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারীকে নিয়োগের কথা বলা রয়েছে। প্রয়োজনে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বাছাই করার ক্ষেত্রে ‘ব়্য়ান্ডম সিলেকশন’ পদ্ধতির কথাও বলা আছে। এই বিষয়টিই সুপ্রিম কোর্টের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল। সিবালের কথায়, ‘সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে যে, আমরা হাইকোর্টে সার্কুলারকে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম। কিন্তু আমরা যে সেটা এখন আর করছি না, সেটাও বলা হয়েছে। আমরা বলছি, এই সার্কুলারই কার্যকর করা হোক। এবার আমরা আশাবাদী। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে এবং রায়ের প্রতিলিপিতেও রয়েছে যে, সার্কুলারে যা লেখা রয়েছে, তার যা মূল বিষয়বস্তু, তা নজরে রেখেই পদক্ষেপ করবে। যেটা বলা হয়েছে, সেটা হলো, ভোট গণনার সময়ে কেন্দ্র এবং রাজ্য, দুই সরকারেরই কর্মচারীরা থাকবেন। কিন্তু মূলধারার সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, আমাদের মামলা খারিজ হয়ে গিয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভুল। ওদের কাছে সঠিক তথ্য দেখা উচিত।’
‘মনে হচ্ছে ওখানে সিজ হচ্ছে’
{{/usCountry}}এদিন পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে কপিল সিবাল বলেন, 'মনে হচ্ছে বিজেপির নজর আর অন্য কোথাও নেই। তামিলনাড়ুতে নেই, কেরলে নেই। পশ্চিমবঙ্গ তো ভারতেই। অন্য কোথাও তো নয়। দেখে মনে হচ্ছে, ওখানে সিজ হচ্ছে। ওখানে যত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, সেটা মণিপুর আর জম্মু কাশ্মীরেও নেই। কোনও যুদ্ধ চলছে নাকি? নির্বাচনই তো চলছে! কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা কমিশনের দায়িত্ব, তারপরও কীসের ভীতি? কী চাইছেন ওঁরা? কী উদ্দেশে এসব করছেন?' তিনি ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি নজরদারির ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এবং প্রশ্ন তোলেন, কেন সিসিটিভি ফুটেজগুলো ৪৫ দিনের বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করে রাখা হয় না? তিনি ইঙ্গিত দেন যে, এই বিষয়টি আবারও আদালতের সামনে উত্থাপন করা হবে এবং বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা 'তথ্য জানার অধিকার' বা আরটিআই আইনের মাধ্যমে এই সংক্রান্ত নথিপত্র বা ফুটেজ পাওয়ার জন্য আবেদন জানায়।