...
...
Next Story

KMC Borough Chairperson Resignation: 'দল থেকে চাপ দিচ্ছে', অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে নোটিস কাণ্ডে পদত্যাগ বরো চেয়ারপার্সনের

অভিষেকের বাড়িতে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত নোটিসের জেরে তাকে দলের থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন দেবলীনা। এই কারণেই তিনি বরো চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছেন। তবে কাউন্সিলর পদে থেকেই এলাকার মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

Published on: May 20, 2026, 12:08:42 IST
Advertisement

KMC Borough Chairperson Resignation: কলকাতা পুরসভার ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদ ছাড়তে চেয়ে পদত্যাগপত্র পাঠালেন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। তিনি কলকাতা পুরসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত রাজনৈতিক মহলে। অভিষেকের বাড়িতে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত নোটিসের জেরে তাকে দলের থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন দেবলীনা। এই কারণেই তিনি বরো চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছেন। তবে কাউন্সিলর পদে থেকেই এলাকার মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

কলকাতা পুরসভার ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদ ছাড়তে চেয়ে পদত্যাগপত্র পাঠালেন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস।
কলকাতা পুরসভার ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদ ছাড়তে চেয়ে পদত্যাগপত্র পাঠালেন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস।

জানা গিয়েছে, দেবলীনা বিশ্বাস কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। যদিও তাঁর দাবি, সেই চিঠি এখনও গ্রহণ করা হয়নি। একটি খবরের চ্যানেলকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, বরো কমিটির চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ দলগত কারণেই নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সম্পত্তিতে কলকাতা পুরসভার পাঠানো নোটিসের বিষয়টি উঠে এসেছে। অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোম্পানি ও পরিবারের সদস্যদের ১৭টি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল, যার মধ্যে ১৪টিই ৯ নম্বর বরোর অন্তর্গত।

দেবলীনার দাবি, নোটিস পাঠানোর বিষয়ে তিনি আগে কিছু জানতেন না। হঠাৎ রাত থেকে ফোন আসতে শুরু করার পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর কথায়, ভুল তথ্য দিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে কোনও কাজ করানো ঠিক নয়। দেবলীনা বিশ্বাস আরও জানিয়েছেন, বরো চেয়ারপার্সন হলেও এই ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। কে বা কীভাবে এই নোটিস পাঠাল, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, আপাতত দল ছাড়ার কোনও চিন্তাভাবনা তাঁর নেই।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe