...
...
Next Story

KMC File Allegation: গোপনে সরানো হচ্ছে কলকাতা পুরসভার দুর্নীতির ফাইল, বিস্ফোরক অভিযোগ সন্তোষ পাঠকের

KMC Latest Update: অভিযোগ জানানোর পর পুরসচিব নিজে বিজেপি কাউন্সিলরকে নিয়ে পুরসভার ট্রেজারি বিল্ডিং ঘুরে দেখেন। সেখানে একটি নির্দিষ্ট ঘর দেখিয়ে সন্তোষ পাঠক অভিযোগ করেন, ওই জায়গা থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানোর কাজ হচ্ছে। যদিও বিল্ডিংয়ের কেয়ারটেকার এই অভিযোগ মানতে চাননি।

Published on: May 24, 2026, 10:07:06 IST
Advertisement

KMC Latest Update: কলকাতা পুরসভায় গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলার অভিযোগে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার পুরসচিব কিশোরকুমার বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠক। তাঁর দাবি, তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ডের আমলে বিভিন্ন দুর্নীতি এবং বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল গোপনে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা চলছে।

কলকাতা পুরসভায় গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলার অভিযোগে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
কলকাতা পুরসভায় গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলার অভিযোগে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ জানানোর পর পুরসচিব নিজে বিজেপি কাউন্সিলরকে নিয়ে পুরসভার ট্রেজারি বিল্ডিং ঘুরে দেখেন। সেখানে একটি নির্দিষ্ট ঘর দেখিয়ে সন্তোষ পাঠক অভিযোগ করেন, ওই জায়গা থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানোর কাজ হচ্ছে। যদিও বিল্ডিংয়ের কেয়ারটেকার এই অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, নবান্নের নির্দেশ অনুসারেই সংশ্লিষ্ট অংশে তালা লাগানো হয়েছে এবং কোনও ফাইল সরানো হয়নি।

বিজেপি কাউন্সিলরের আরও দাবি, পুরসভার একাধিক বিভাগ থেকে নথি গায়েব করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, অতীতের কিছু দুর্নীতি ও অবৈধ নির্মাণ সংক্রান্ত তথ্য আড়াল করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই তিনি পুরসচিবের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার বলেন, বর্তমানে পুরসভার অধিকাংশ নথিই ই-ফাইল আকারে সংরক্ষিত থাকে। ফলে কাগজের ফাইল সরিয়ে কোনও তথ্য গোপন করার সুযোগ নেই বলেই তাঁর দাবি। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ই-ফাইল যে কেউ পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতা পুরসভায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেআইনি নির্মাণ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন নোটিস বিতর্ককে ঘিরে শাসকদল ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe