যুদ্ধের আবহে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল আছে ভারতে। তবে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে দেশে। এই আবহে কলকাতাতে সিএনজির জোগান পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। এই পরিস্থিতিতে শহরের একাধিক রুটে অটোভাড়া বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এদিকে বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অটোর লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। এদিকে ১০ মার্চ রাতে গ্যাসের দাম ছিল ৫৭ টারা ৬৮ পয়সা। তবে আজ থেকে সিএনজির দাম ৫ টাকা বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছে।

এদিকে বর্তমানে অনেক ট্যাক্সিও চলে সিএনজিতে। বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সেই সব চারচাকারও লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে। এদিকে কাঁকুরগাছি পাম্পে আবার সকাল থেকে পেট্রোল এবং ডিজেল দেওয়া বন্ধ করা হয়। তবে সেখানে গ্যাস রয়েছে। এই আবহে গ্যাস ভরাতে গাড়ি লম্বা লাইন দেখা যায় গাড়ির। সল্টলেক সিটি সেন্টার হোক বা বেঙ্গল কেমিক্যালের মতো স্থানেও রাতভর অটোর লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে গ্যাস ভরানোর জন্য।
এদিকে এত কিছুর মাঝেও ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়েনি। কলকাতায় এক লিটার পেট্রোল বিকোচ্ছে ১০৫.৪১ টাকায় এবং ডিজেল বিকোচ্ছে ৯২.০২ টাকায়। যদিও দেশে রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে সম্প্রতি। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কারণে ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বেড়েছে। এদিকে বাণিজ্যিক রান্নার সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ১১৫ টাকা। এই আবহে দিল্লিতে ১৪.২ কেজি ওজনের ঘরোয়া সিলিন্ডার দাম বেড়ে ৯১৩ টাকা হয়েছে, কলকাতায় তা হয়েছে ৯৩৯ টাকা। কলকাতায় ১৯ কেজি ওজনের বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১৯৯০ টাকা।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার আটকে আছে। এর মধ্যে ভারতেরও ৩০টিরও বেশি জাহাজ রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে ভারতসহ সারা বিশ্বে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি হরমুজ প্রণালী থেকে আসে। এটা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি রুট। এবং এই রুটটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে অন্য বিকল্পের খোঁজে গোটা বিশ্ব। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান ৯টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে। এই ৯টি জাহাজেই ভারতীয় ক্রু ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে এখান দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের ওপর।
{{/usCountry}}রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার আটকে আছে। এর মধ্যে ভারতেরও ৩০টিরও বেশি জাহাজ রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে ভারতসহ সারা বিশ্বে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি হরমুজ প্রণালী থেকে আসে। এটা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি রুট। এবং এই রুটটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে অন্য বিকল্পের খোঁজে গোটা বিশ্ব। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান ৯টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে। এই ৯টি জাহাজেই ভারতীয় ক্রু ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে এখান দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের ওপর।
{{/usCountry}}