...
...
Next Story

Kolkata Health News: ধড়ধড়ানি হত ২ দশক ধরে, কলকাতায় অত্যাধুনিক PFA চিকিৎসা মহিলার, পূর্ব ভারতে প্রথম

Kolkata Health News: ধড়ধড়ানি হত প্রায় দু'দশক ধরে। কলকাতায় অত্যাধুনিক PFA পদ্ধতির মাধ্যমে চিকিৎসা হল মহিলার। পূর্ব ভারতে এই প্রথমবার এরকম পদ্ধতিতে চিকিৎসা হল কলকাতার হাসপাতালে।

Published on: Sep 17, 2026, 12:27:01 IST
Advertisement

Kolkata Health News: 'পালসড ফিল্ড অ্যাবলেশন' সম্পন্ন হল কলকাতার হাসপাতালে। মণিপাল হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, 'বোস্টন সায়েন্টিফিক'-র আধুনিক 'FARAPULSE Pulsed Field Ablation System' ব্যবহার করে এই চিকিৎসা করা হয়েছে। পূর্ব ভারতে অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের চিকিৎসায় প্রথমবার এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হল বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে দাবি করা হয়েছে।

কলকাতায় অত্যাধুনিক PFA পদ্ধতির মাধ্যমে চিকিৎসা হল মহিলার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)
কলকাতায় অত্যাধুনিক PFA পদ্ধতির মাধ্যমে চিকিৎসা হল মহিলার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)

হাসপাতল কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যায় ভুগছিলেন নিউ গড়িয়ার ৭২ বছরের মহিলা। প্রায় ২০ বছর ধরে ধড়ফড়ানি বা পালপিটেশনের সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছিলেন। প্রথম দিকে এই সমস্যা মাঝেমাঝে দেখা দিলেও গত সাত মাসে পরিস্থিতি অত্যন্ত মারাত্মক রূপ ধারণ করে। অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের জটিলতার কারণে গত কয়েক মাসে তাঁকে তিনবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। এমনকী হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি একবার সংজ্ঞাহীনও হয়ে পড়েছিলেন। একাধিক ওষুধ খাইয়েও তাঁর এই অনিয়মিত হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিল না।

সেই পরিস্থিতিতে ‘পালসড ফিল্ড অ্যাবলেশন’ করানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এটি অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের চিকিৎসায় একটি নতুন এবং আধুনিক পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে অত্যন্ত অল্প সময়ের বৈদ্যুতিক স্পন্দন বা পালস ব্যবহার করা হয়। অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশনের ক্ষেত্রে মূলত ফুসফুস থেকে হৃদযন্ত্রে রক্ত বহনকারী শিরাগুলির (পালমোনারি ভেইন) চারপাশ থেকে অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হয়। PFA প্রযুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলগুলিতে একটি অনিয়ন্ত্রিত সিগন্যাল-রোধী বৈদ্যুতিক দেয়াল বা 'পালমোনারি ভেইন আইসোলেশন' তৈরি করা হয়, যা মূল হৃদযন্ত্রে ভুল সিগন্যাল পৌঁছাতে বাধা দেয়।

আর হাসপাতালের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলোজি) দিলীপ কুমার বলেন, ‘রোগীর অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক ছিল। প্রায় দুই দশক ধরে এই সমস্যায় ভোগার পর সম্প্রতি তাঁর উপসর্গগুলি আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছিল। ওষুধে যখন কাজ হচ্ছিল না, তখন PFA-ই ছিল সবচেয়ে কার্যকরী ও নিরাপদ বিকল্প। সফল অস্ত্রোপচারের পর রোগী এখন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks