...
...
Next Story

পুজো মিটলেই বাংলায় পুরভোটের দামামা! নভেম্বরের শেষে কলকাতা-হাওড়া-সহ ৭ পুরসভায় ভোট

ভোটের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সাতটি পুরসভা মিলিয়ে মোট ৬৩০১টি বুথে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবারই জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছে কমিশন।

Published on: Sep 25, 2026, 12:43:54 IST
Advertisement

পুজোর মরশুম শেষ হলেই বাংলায় পুরভোটের প্রস্তুতি আরও জোরদার হতে চলেছে। কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং, এই সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও ভোটের নির্দিষ্ট দিন এখনও সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হয়নি। সূত্রের খবর, ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে এক বা দু’দিন ভোট নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়া ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যও রয়েছে।

উত্তরবঙ্গ এবং রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে প্রথম দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই জেলার ভোট ফলাফলের লাইভ আপডেট রইল এখানে। (Shyamal Maitra)
উত্তরবঙ্গ এবং রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে প্রথম দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই জেলার ভোট ফলাফলের লাইভ আপডেট রইল এখানে। (Shyamal Maitra)

এদিকে ভোটের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সাতটি পুরসভা মিলিয়ে মোট ৬৩০১টি বুথে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবারই জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছে কমিশন। কোথায় কত সংখ্যক ইভিএম প্রয়োজন, কত জন ভোটকর্মী লাগবে এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা কী হবে, সেই সব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে।

সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভাকে ঘিরে। বিশেষ করে হাওড়ায় দীর্ঘ দিন ধরে নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। সেখানে শেষ পুরভোট হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৮ সালে সেই বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তার পর আর নির্বাচন হয়নি। প্রায় ১৩ বছর ধরে ভোট না হওয়ায় হাওড়ার পুর পরিষেবা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে।

তবে শুধু এই সাতটি পুরসভাই নয়, রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি পুরসভায় দীর্ঘ দিন ধরে ভোট বকেয়া রয়েছে। বর্তমানে ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর। সেখানে আপাতত প্রশাসক বসিয়ে পুর পরিষেবা চালানো হচ্ছে। এই তালিকায় হাওড়া ছাড়াও রয়েছে দুর্গাপুর, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কালিম্পং, কার্শিয়াং, মিরিক, ধূপগুড়ি-সহ একাধিক পুরসভা।

এর পাশাপাশি আগামী বছরের শুরুতে আরও বহু পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ফলে বকেয়া নির্বাচন এবং মেয়াদ শেষ হতে চলা পুরসভাগুলিকে একসঙ্গে ধরলে আগামী কয়েক মাসে রাজ্যে পুরভোটের বড় পর্ব সামলাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এই কারণে প্রথম ধাপে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পুরসভায় ভোট আয়োজনের প্রস্তুতিকে প্রশাসনিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

পুরভোটকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলেও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের দিন, মনোনয়ন জমার সময়সীমা এবং অন্যান্য সূচি নিয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। এখন নজর নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী ঘোষণার দিকে। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে সত্যিই ভোট হলে উৎসবের আবহ কাটতে না কাটতেই বাংলায় ফের শুরু হয়ে যাবে নির্বাচনী ব্যস্ততা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks