...
...
Next Story

WB Weather Forecast till 18th February: ৮১ দিন পরে ‘সবথেকে গরম’ পড়ার পরই কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ঠান্ডা বাড়বে বাংলায়?

৮১ দিন পরে ‘সবথেকে গরম’ পড়ার পরই কমল কলকাতার তাপমাত্রা। প্রায় তিন মাস পরে কলকাতার তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার কিছুটা কমল মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?

Published on: Feb 12, 2026, 18:20:15 IST
Advertisement

প্রায় তিন মাস পরে কলকাতার তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার কিছুটা কমল মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। শেষবার কলকাতার দিনের তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির গণ্ডি ছুঁয়েছিল ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর। ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত সেই গণ্ডি পার না হলেও বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছিল ২৯.২ ডিগ্রিতে। যা গত বছরের ২২ নভেম্বরের পরে সর্বোচ্চ ছিল। ৮১ দিন পরে ‘সবথেকে গরমের’ সাক্ষী থাকার পরে বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমে ঠেকেছে ২৮.৮ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.১ ডিগ্রি কম। আর বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (রাতের তাপমাত্রা) ছিল ১৬.৯ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৮ ডিগ্রি কম।

কলকাতার তাপমাত্রা কীরকম স্তরে থাকবে?

৮১ দিন পরে ‘সবথেকে গরম’ পড়ার পরই কমল কলকাতার তাপমাত্রা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)
৮১ দিন পরে ‘সবথেকে গরম’ পড়ার পরই কমল কলকাতার তাপমাত্রা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)

আবহবিদরা জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মোটামুটি ২৮ ডিগ্রি থেকে ৩০ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৬ ডিগ্রি থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে। তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের আশপাশে থাকবে।

উত্তুরে হাওয়ায় জোর নেই, জানাচ্ছেন আবহবিদরা

বিশেষজ্ঞদের মতে, আসলে উত্তর-পশ্চিম ভারতের উপরে থাকা পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সরে গেলেও নতুন করে পারদ পতনের সম্ভাবনা কার্যত নেই। কারণ এখন উত্তুরে হাওয়ার মধ্যে সেই ঠান্ডা ভাব নেই। দিনের দৈর্ঘ্য ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় তাপমাত্রা কমানোর মতো শক্তি নেই এখনকার উত্তুরে হাওয়ার মধ্যে। সেই পরিস্থিতিতে ধীরে-ধীরে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। গভীর রাত বা ভোরের দিকে কিছুটা ঠান্ডা-ঠান্ডা ভাব বা মনোরম থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা।

বাকি পশ্চিমবঙ্গে আবহাওয়া কেমন থাকবে?

আর সেটা শুধু কলকাতার ক্ষেত্রে নয়, আগামী কয়েকদিন পুরো পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়াই এরকম থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের সব জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe