...
...
Next Story

Kolkata Metro Latest Update: প্রায় ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী জায়গা পার ‘দুর্গা’-র, স্বপ্নপূরণের পথে কলকাতা মেট্রো

প্রায় ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী জায়গা পার করল টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম) ‘দুর্গা’। স্বপ্নপূরণের পথে আরও একটা ধাপ এগিয়ে গেল কলকাতা মেট্রো। টিবিএম দুর্গার পাশাপাশি টিবিএম দিব্যাও কাজ চালাচ্ছে। আপাতত কোথায় আছে টিবিএম?

Published on: Jan 8, 2026, 10:59:18 IST
Advertisement

স্বপ্নপূরণের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইন (জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড মেট্রো করিডর)। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেসকোর্সের রয়েল ক্যালকাটা টার্ফ ক্লাব (আরসিটিসি) পেরিয়ে গেল 'টানেল বোরিং মেশিন' বা টিবিএম দুর্গা। অর্থাৎ আরসিটিসির নীচে মেট্রোর একটি টানেলের খননকাজ সেরে ফেলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত নভেম্বরের শেষের দিকে আরসিটিসির কাছে টিবিএম দুর্গা পৌঁছে গিয়েছিল। মাটির নীচে মোটামুটি ৬০০ মিটারের মতো কাজ করে কলকাতার সেই ঐতিহ্যবাহী স্থান পেরিয়ে গিয়েছে। যে জায়গার প্রায় ৩০০ বছরেরও ইতিহাস জড়িয়ে আছে।

বিশেষ সেনসর লাগানো হয়, যাতে একটু নড়াচড়াতেই বোঝা যায়

প্রায় ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী জায়গা পার করল টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম) ‘দুর্গা’। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে Metro Railways)
প্রায় ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী জায়গা পার করল টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম) ‘দুর্গা’। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে Metro Railways)

এমনিতে গত বছরের জুলাই থেকে এসপ্ল্যানেডমুখী টানেল বা সুড়ঙ্গ দিয়ে খননকাজ শুরু করেছিল টিবিএম দুর্গা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে এসপ্ল্যানেডের দিকে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরসিটিসির নীচে খননকার্যের সময় বিশেষ সেনসর লাগিয়েছিল পার্পল লাইনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল), যাতে কোনওরকম নড়াচড়া হলে সঙ্গে-সঙ্গে ধরা পড়ে বিশেষজ্ঞদের চোখে। সেভাবেই কঠিন কাজ সম্পন্ন করে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল স্টেশনের দিকে এগিয়ে চলেছে। তারপর পার্কস্ট্রিট স্টেশন পর্যন্ত খননকার্য চালাবে।

কীভাবে এগিয়ে যাবে জোড়া টানেল বোরিং মেশিন?

আরভিএনএলের তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে যে খিদিরপুর থেকে ভিক্টোরিয়া স্টেশন পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের টানেল তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যেই ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছে যাবে টিবিএম দুর্গা। আর ডিসেম্বরে পৌঁছে যাবে দ্বিতীয় টানেল বোরিং মেশি টিবিএম দিব্যা। যে টিবিএম আগামী মাসের মধ্যে আরসিটিসিতে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর ২০২৭ সালের পার্কস্ট্রিট পর্যন্ত সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

পার্পল লাইন জমজমাট হয়ে উঠবে পুরো অংশে পরিষেবা চালু হলে

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe