স্বপ্নপূরণের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইন (জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড মেট্রো করিডর)। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেসকোর্সের রয়েল ক্যালকাটা টার্ফ ক্লাব (আরসিটিসি) পেরিয়ে গেল 'টানেল বোরিং মেশিন' বা টিবিএম দুর্গা। অর্থাৎ আরসিটিসির নীচে মেট্রোর একটি টানেলের খননকাজ সেরে ফেলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত নভেম্বরের শেষের দিকে আরসিটিসির কাছে টিবিএম দুর্গা পৌঁছে গিয়েছিল। মাটির নীচে মোটামুটি ৬০০ মিটারের মতো কাজ করে কলকাতার সেই ঐতিহ্যবাহী স্থান পেরিয়ে গিয়েছে। যে জায়গার প্রায় ৩০০ বছরেরও ইতিহাস জড়িয়ে আছে।
বিশেষ সেনসর লাগানো হয়, যাতে একটু নড়াচড়াতেই বোঝা যায়

এমনিতে গত বছরের জুলাই থেকে এসপ্ল্যানেডমুখী টানেল বা সুড়ঙ্গ দিয়ে খননকাজ শুরু করেছিল টিবিএম দুর্গা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে এসপ্ল্যানেডের দিকে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরসিটিসির নীচে খননকার্যের সময় বিশেষ সেনসর লাগিয়েছিল পার্পল লাইনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল), যাতে কোনওরকম নড়াচড়া হলে সঙ্গে-সঙ্গে ধরা পড়ে বিশেষজ্ঞদের চোখে। সেভাবেই কঠিন কাজ সম্পন্ন করে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল স্টেশনের দিকে এগিয়ে চলেছে। তারপর পার্কস্ট্রিট স্টেশন পর্যন্ত খননকার্য চালাবে।
কীভাবে এগিয়ে যাবে জোড়া টানেল বোরিং মেশিন?
আরভিএনএলের তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে যে খিদিরপুর থেকে ভিক্টোরিয়া স্টেশন পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের টানেল তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যেই ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছে যাবে টিবিএম দুর্গা। আর ডিসেম্বরে পৌঁছে যাবে দ্বিতীয় টানেল বোরিং মেশি টিবিএম দিব্যা। যে টিবিএম আগামী মাসের মধ্যে আরসিটিসিতে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর ২০২৭ সালের পার্কস্ট্রিট পর্যন্ত সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
পার্পল লাইন জমজমাট হয়ে উঠবে পুরো অংশে পরিষেবা চালু হলে
উল্লেখ্য, পার্পল লাইনের একাংশে আপাতত মেট্রোর বাণিজ্যিকভাবে পরিষেবা চালু আছে। জোকা থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত অংশে মেট্রো চলছে। তবে এখনও অতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি আট কিলোমিটারের মতো ওই অংশ। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত পুরো অংশে পরিষেবা চালু হয়ে গেলে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ততম করিডর হয়ে উঠবে পার্পল লাইন। ঠিক ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো এখন লাখ-লাখ যাত্রী নিয়ে চলাচল করে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, পার্পল লাইনের একাংশে আপাতত মেট্রোর বাণিজ্যিকভাবে পরিষেবা চালু আছে। জোকা থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত অংশে মেট্রো চলছে। তবে এখনও অতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি আট কিলোমিটারের মতো ওই অংশ। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত পুরো অংশে পরিষেবা চালু হয়ে গেলে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ততম করিডর হয়ে উঠবে পার্পল লাইন। ঠিক ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো এখন লাখ-লাখ যাত্রী নিয়ে চলাচল করে।
{{/usCountry}}