...
...
Next Story

Kolkata Metro Chingrihata Work: ডেডলাইন শেষের আগেই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য, চিংড়িঘাটায় মেট্রো চালু হতে আরও দেরি?

চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ নিয়ে ফের ধোঁয়াশা তৈরি হল। দিনকয়েক আগেই কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছিল যে ২০২৮ সালের মধ্যে চিংড়িঘাটা পেরিয়ে অরেঞ্জ লাইনের মেট্রো এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।

Published on: Feb 10, 2026, 21:20:46 IST
Advertisement

কলকাতা হাইকোর্টে বেঁধে দিয়েছিল ১৫ ফেব্রুয়ারির ডেডলাইন। আর সেই ডেডলাইন শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগেই চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সূত্রের খবর, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে স্পেশাল লিভ পিটিশন (এসএলপি) দায়ের করা হয়েছে। যে মামলার শুনানি হতে পারে আগামী সপ্তাহে। সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে মাত্র ৩৬৬ মিটার অংশের কাজ শেষ করার বিষয়টি ফের ঝুলে যাবে? চিংড়িঘাটা মোড়ে ওইটুকু অংশের কাজ বাকি থাকার কারণেই কলকাতা অরেঞ্জ লাইনকে (নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা এয়ারপোর্ট মেট্রো করিডর) বেলেঘাটা থেকে এগিয়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।

চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ নিয়ে টানাপোড়েন

চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ নিয়ে ফের ধোঁয়াশা তৈরি হল। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে Metro Railways)
চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ নিয়ে ফের ধোঁয়াশা তৈরি হল। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে Metro Railways)

অথচ একটা সময় ঠিক ছিল যে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যেই সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো চালু করে দেওয়া যাবে। কিন্তু চিংড়িঘাটায় জটের কারণে এখনও সেই পরিষেবা শুরু করা যায়নি। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করা হচ্ছিল যে ওই অংশে কাজের জন্য যে ট্র্যাফিক ব্লকের প্রয়োজন, তার অনুমতি দিচ্ছে না পুলিশ। রাজ্যের পালটা যুক্তি ছিল যে চিংড়িঘাটা মোড় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। ফলে ট্র্যাফিক ব্লক অত সহজ নয়।

হাইকোর্টে পৌঁছায় বিষয়টি, ভর্ৎসিত হয় রাজ্য

সেই টানাপোড়েনের মধ্যেই বিষয়টি হাইকোর্টে পৌঁছায়। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ, অরেঞ্জ লাইনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল), রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুলিশের মধ্যে বৈঠকও হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কাজ শুরু করা হয়নি। যা নিয়ে হাইকোর্টে ভর্ৎসিতও হয়েছে রাজ্য সরকার।

শেষপর্যন্ত গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয় যে রাজ্য সরকারকে পরপর দুটি সপ্তাহান্তে রাতে চিংড়িঘাটায় ট্র্যাফিক ব্লকের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে হবে। সেজন্য ১৫ ফেব্রুয়ারির ডেডলাইনও বেঁধে দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগে সুপ্রিম কোর্টে গেল রাজ্য সরকার।

২০২৮ সালেও চিংড়িঘাটায় চালু হবে না মেট্রো?

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe