...
...
Next Story

Kolkata Metro Orange Line Update: চিংড়িঘাটা জটে অরেঞ্জ লাইনের ডেডলাইন পিছোল আরও ১ বছর, মেট্রোয় গড়িমসি রাজ্যের

চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজে জট। কাজের জন্য রাজ্য সরকারের যে অনুমোদনের প্রয়োজন, তা দিচ্ছে না। তার জেরে কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের ডেডলাইন পিছিয়ে দেওয়া হল।

Published on: Feb 3, 2026, 08:04:18 IST
Advertisement

চিংড়িঘাটায় জটের কারণে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের ‘ডেডলাইন’ আরও এক বছর পিছিয়ে গেল। কিছুটা হতাশার সুরেই মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শুভ্রাংশু শেখর মিশ্র জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে অরেঞ্জ লাইনের (নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর মেট্রো করিডর) কাজ শেষ করার যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল, সেটা পিছিয়ে ২০২৮ সাল করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘আশা করছি যে ২০২৮ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে অরেঞ্জ লাইন সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। (তবে সেটা হবে), যদি এখনই ট্র্যাফিক ব্লকের (যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ) অনুমতি দেওয়া হয়।’

মাত্র ৩৬৬ মিটার অংশ জুড়তে হবে…মাত্র!

চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজে জট। তার জেরে কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের ডেডলাইন পিছিয়ে দেওয়া হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)
চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজে জট। তার জেরে কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের ডেডলাইন পিছিয়ে দেওয়া হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)

আর চিংড়িঘাটায় সেই ট্র্যাফিক ব্লকের ছাড়পত্র দেওয়া নিয়ে দেড় বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আপাতত অরেঞ্জ লাইনে নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো চলছে। সেটিকে আরও এগিয়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত নিয়ে যেতে তৈরি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। সেই লক্ষ্য আর বেলেঘাটার সঙ্গে সল্টলেক সেক্টর ফাইভকে সংযুক্ত করার জন্য চিংড়িঘাটায় ভায়াডাক্টের মাত্র ৩৬৬ মিটারের কাজ বাকি আছে।

হাইকোর্টের নির্দেশ আছে, রাজ্য এবার নড়েচড়ে উঠবে?

কিন্তু সেই কাজের জন্য যে ট্র্যাফিক ব্লকের দরকার অরেঞ্জ লাইনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের (আরভিএনএল), সেটাই পাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকার টালবাহানা করে চলেছে। সেই পরিস্থিতিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মেট্রো কর্তৃপক্ষ। গত ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যাতে চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ শেষ হয়ে যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে। দুটি সপ্তাহান্তে ছয়দিন রাতে ট্র্যাফিক ব্লক করতে হবে।

মেট্রো চালু হয়ে গেলে কমবে যানজট

তিনি অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের গড়িমসি ও অসহযোগিতার কারণেই সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত যেতে পারছে না মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। যে অংশ জুড়ে গেলে কলকাতার গণপরিবহণ ব্যবস্থা আমূল পালটে যাবে। কমবে রাস্তার যানজটও।

রেলমন্ত্রীর কথায়, 'হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুমতি দিচ্ছে না বিকল্প পথে যান চলাচলের জন্য একটি বাইপাস রাস্তাও তৈরি করে দিয়েছে আরভিএনএল। তারপরও এখানেই দেড় বছর ধরে থমকে আছে প্রকল্প।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe