Kolkata Night Bus Service Latest Update: পুজোর মধ্যেই ৬০০ বাস আসছে রাজ্যের হাতে! কলকাতায় রাতেও সরকারি বাস চলবে কবে থেকে?
Kolkata Night Bus Service Latest Update: কলকাতায় নৈশ বাস পরিষেবা চালানোর তোড়জোড় করছে পরিবহণ দফতর। রাতভর সরকারি বাস চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং জানালেন, দুর্গাপুজোর মধ্যেই রাজ্যের হাতে আসছে ৬০০টি বাস।
Kolkata Night Bus Service Latest Update: হাতে পর্যাপ্ত বাস নেই। তাই এখনও সরকারি বাস নৈশ পরিষেবা চালু করা যাচ্ছে না। সেই অভাব মিটে গেলেই কলকাতার রাত্রিকালীন বাস পরিষেবা শুরু করা হবে। পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, আরও ৬০০টি বাস পুজোর মধ্যেই নিয়ে আসার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। সেইসব বাস হাতে চলেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষা মিটবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা। সেক্ষেত্রে রাতভর সরকারি বাস চলবে কলকাতার রাস্তায়।

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দুর আমলে চালু হয়েছিল নৈশ পরিষেবা
এমনিতে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে কলকাতার সরকারি বাসের রাত্রিকালীন পরিষেবা শুরু হয়েছিল। সেইসময় রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আমলে সকাল ১০ টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত ১৪টি রুট সরকারি বাস চালানো হত। কিন্তু কোভিড মহামারীর সময় সেই নৈশ বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে করোনাভাইরাসের ধাক্কা কেটে গেলেও সেই নৈশ বাস পরিষেবা আর চালু করা হয়নি।
আর নৈশ বাস পরিষেবা তো দূর অস্ত, তৃণমূলের আমলে তো একটা সময় রাত ৯ টা বা ১০ টায় কলকাতায় সরকারি বাস পাওয়া লটারি জেতার থেকেও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মফঃস্বল তো অনেক দূরের ব্যাপার, শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় একটু রাত হলেই কার্যত দেখা মিলত না সরকারি বাসের।
রাতের শেষ বাসের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে
তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সেই ছবিটা পালটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কলকাতার আটটি রুটে শেষ বাস ছাড়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। আগে শেষ বাস ছাড়ত রাত ৯ টা ৪৫ মিনিটে। এখন সেই সময়সীমা বাড়িয়ে রাত ১০ টা করা হয়েছে। তাছাড়া সরকারি বাসের নৈশ পরিষেবাও শুরু করতে মরিয়া রাজ্য সরকার।
তীর্থস্থান স্পেশাল বাস
তাছাড়া আরও একগুচ্ছ পরিকল্পনা আছে রাজ্যের। সেই রেশ ধরে পরিবহণ মন্ত্রী বলেছেন, ‘ব্যারাকপুর নোনাচন্দন পুকুরে আমার পরিবহণ ও শ্রম দফতরের কার্যালয়ে আসেন বিশিষ্ট নাট্যকার চন্দন সেন-সহ ব্যারাকপুরের প্রবীণ নাগরিকরা। ব্যারাকপুর থেকে পুরী, মথুরা, বৃন্দাবন-সহ বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্রে সরকারি বাস পরিষেবার দাবি তাঁরা করেছেন। পাশাপাশি তীর্থস্থান যাবার ক্ষেত্রে সরকারি বাসে ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড়ের দাবিও তাঁরা আমার কাছে করেছেন। ওঁদের আমি জানিয়েছি, ভাড়ায় ছাড়ের ক্ষেত্রে ক্যাবিনেটে প্রস্তাব রাখব। দ্বিতীয়ত, তীর্থক্ষেত্রগুলোতে সরকারি বাস চলাচলের ক্ষেত্রে আমি ওঁদের আশ্বস্ত করেছি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


