...
...
Next Story

ফুসফুস ফেটে মৃত্যু ৭ জনের,দমবন্ধ হয়ে প্রাণ গেছে ১২ জনের!চোরাবাগান কাণ্ডে ময়নাতদন্তের হাড়হিম করা রিপোর্ট

প্রথম মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় মরণফাঁদ চোরাবাগানে। প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। প্রয়াতদের পরিবার সর্বহারা। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে কী জানা গেল?

Published on: Oct 18, 2026, 23:59:34 IST
Advertisement

উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে সপ্তমীর রাতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনায় নিহত ১৯ জনের ময়না-তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট হাতে এলো পুলিশের। প্রাথমিক ময়না-তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, অধিকাংশ দর্শনার্থীর মৃত্যুর মূল কারণ ছিল তীব্র শ্বাসরোধ (Traumatic Asphyxia) এবং বুকের খাঁচা ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অতিরিক্ত চাপের ফলে রক্তক্ষরণ।

ফুসফুস ফেটে মৃত্যু ৭ জনের,দমবন্ধ হয়ে…!চোরাবাগান কাণ্ডে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট (PTI)
ফুসফুস ফেটে মৃত্যু ৭ জনের,দমবন্ধ হয়ে…!চোরাবাগান কাণ্ডে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট (PTI)

ময়না-তদন্তের রিপোর্টে কী উঠে এসেছে?

তীব্র শ্বাসরোধ (Traumatic Asphyxia): ময়না-তদন্তকারী চিকিৎসকদের মতে, মণ্ডপের সরু জায়গায় হঠাৎ অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে এবং একজন অন্যজনের ওপর পড়ে যাওয়ায় ফুসফুসে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারেনি। অতিরিক্ত চাপের ফলে নিমিষের মধ্যেই একাধিক দর্শনার্থীর শ্বাসপ্রশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায়। বুকের খাঁচায় গুরুতর আঘাত ও ভাঙন: ভিড়ের প্রচণ্ড শারীরিক চাপে অনেকেরই বুকের পাঁজর বা পাঁজরের হাড় (Ribs) ভেঙে গিয়ে তা অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, বিশেষ করে ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডকে আঘাত করেছে।

অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ (Internal Hemorrhage): পদপিষ্ট হওয়ার পর পেটে এবং মাথায় মারাত্মক আঘাত লাগার কারণে শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ শুরু হয়, যার ফলেই অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ত্বরান্বিত হয়েছে। প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া ও তদন্তপ্রক্রিয়া:মেডিক্যাল কলেজ সূত্রের খবর, ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে দেহগুলি পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। লালবাজারের পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ময়না-তদন্তের এই রিপোর্টটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের তদন্তের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে বিবেচিত হবে, যা ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও মণ্ডপের প্রবেশ-প্রস্থান পথের গাফিলতি প্রমাণ করতে সাহায্য করবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks