রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। পীযুষ পাণ্ডের জায়গায় নতুন ডিজি হলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। এবং সুপ্রতিম সরকারের বদলে কলকাতা পুলিশের নয়া কমিশনার অজয় নন্দ। এর আগে ‘দাগি’ পুলিশ আধিকারিকদের তালিকা তলব করেছিল কমিশন। যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের তালিকা তৈরি করা হয় কমিশনের নির্দেশে। এই নিয়ে পুলিশের এডিজি (লিগ্যাল) এবং পুলিশের নোডাল অফিসারকে চিঠি পাঠান অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। এদিকে এর আগে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিব পদে রদবলদ করা হয় রবিবার রাতেই।

এর আগে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক চিঠি পাঠিয়ে জানতে চেয়েছিলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির পর রাজ্যে কোন কোন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এছাড়াও জানতে চাওয়া হয়েছিল, অবসরের পরে কোনও পুলিশ আধিকারিককে বর্তমানে কোনও পদ দেওয়া হয়েছে কি না। এছাড়া ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসা, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরে অশান্তির সময় থানার দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসারদের তালিকাও চাওয়া হয়েছিল।
এদিকে গত নির্বাচনের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে কমিশনের তরফ থেকে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের স্পর্শকাতর জেলাগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। এর আগে গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ১৭০ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৮৪ জন ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক এবং ৩৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। তবে পুলিশ পর্যবেক্ষকের ক্ষেত্রে এবার সংখ্যাটা বাড়বে অনেকটাই।
জানা গিয়েছে, বাংলার যে সব এলাকায় অশান্তির ইতিহাস রয়েছে, সেখানে এই অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। উল্লেখ্য, ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের ভূমিকার উপর নজরদারি চালান কমিশনের নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বঙ্গ সফরের সময় মুখ্য আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রাজ্যে কত দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে? এর জবাবে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছিলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এই আবহে নির্বাচনী হিংসা নিয়ে তাঁর বার্তা ছিল, 'হিংসা ও ভয়মুক্ত ভোট করতে হবে। কোনও ভোটারের ওপর চাপ দেওয়ায়ও সহ্য করা হবে না। আগে যে প্রাক ও পরবর্তী ভোট হিংসা হত, আশা করছি, এবারের নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সেটা এবার হবে না।'
{{/usCountry}}জানা গিয়েছে, বাংলার যে সব এলাকায় অশান্তির ইতিহাস রয়েছে, সেখানে এই অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। উল্লেখ্য, ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের ভূমিকার উপর নজরদারি চালান কমিশনের নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বঙ্গ সফরের সময় মুখ্য আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রাজ্যে কত দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে? এর জবাবে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছিলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এই আবহে নির্বাচনী হিংসা নিয়ে তাঁর বার্তা ছিল, 'হিংসা ও ভয়মুক্ত ভোট করতে হবে। কোনও ভোটারের ওপর চাপ দেওয়ায়ও সহ্য করা হবে না। আগে যে প্রাক ও পরবর্তী ভোট হিংসা হত, আশা করছি, এবারের নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সেটা এবার হবে না।'
{{/usCountry}}