...
...
Next Story

Road named on Gopal Pantha: পার্কসার্কাসের সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম ‘গোপাল পাঁঠা’র নামে নামাঙ্কিত হল

কলকাতার পার্কসার্কাসের এই রাস্তার নয়া নামকরণ নিয়ে বক্তব্য রাখলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Published on: Jun 21, 2026, 18:30:12 IST
Advertisement

কলকাতার পার্ক সার্কাসের অন্যতম ব্যস্ততম রাস্তা সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউ। এবার সেই সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউ-র নাম বদলে হল ‘গোপাল মুখার্জি রোড'। সদ্য রাজ্য উদযাপন করেছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। আর সেই পশ্চিমবঙ্গ দিবসের দিনেই সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

পার্কসার্কাসের সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম ‘গোপাল পাঁঠা’র নামে নামাঙ্কিত হল
পার্কসার্কাসের সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম ‘গোপাল পাঁঠা’র নামে নামাঙ্কিত হল

পার্ক সার্কাস থেকে শুরু করে কসাইপাড়া লেন পর্যন্ত বিস্তৃত এই রাস্তার নাম ছিল সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউ। সেই রাস্তার নাম পাল্টে গোপাল পাঁঠার নামে নামাঙ্কিত হয়েছে। এই রাস্তার নতুন নাম ‘গোপাল মুখার্জি রোড'। শুভেন্দু অধিকারী এক পোস্টে জানান, ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবসের পবিত্র দিনে শনিবার কলকাতা পুরসভার নেওয়া ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই। এই সিদ্ধান্ত এক ঐতিহাসিক ভুল শোধরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এবার থেকে সুরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নতুন নাম হবে গোপাল মুখার্জী রোড।’

এদিকে, কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে লেখেন, ‘হাসান সোহরাওয়ার্দি,যাঁর নামে এই রাস্তার নাম, তিনি ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তাঁর উত্তরসূরি হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, আবার শ্যামাপ্রসাদের বাবা স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় তাঁরও কয়েক বছর আগে ওই পদে আসীন ছিলেন। কিন্তু, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এ সব তথ্য জানা যায় না।’

সদ্য পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তারকেশ্বরের সভা থেকে গ্রেট ক্যালাকাট কিলিং থেকে নোয়াখালি দাঙ্গা নিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিকে, গোপাল পাঁঠার নাম ১৯৪৬ সালের এক ইতিহাসের পর্বের সঙ্গে জড়িত। বিপ্লবী অনুকূলচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ভাইপো ছিলেন গোপাল মুখোপাধ্যায়। সেই গোপাল মুখোপাধ্যায়ই গোপাল পাঁঠা নামে পরিচিত ছিলেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe