...
...
Next Story

CM Suvendu on Kolkata Student Protest: ককরোচ প্রতিবাদের নামে হিংসা! আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

প্রতিবাদের নামে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ধর্মতলা। পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতো, জলের বোতল-সহ বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এই বিশৃঙ্খলার মাঝেই আন্দোলনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন একাধিক সাংবাদিক ও চিত্রসাংবাদিক।

Published on: Jul 25, 2026, 07:51:41 IST
Advertisement

CM Suvendu on Kolkata Student Protest: শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলায় নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদের নামে বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা মিছিল ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আয়োজিত ওই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর অবস্থান বিক্ষোভ কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতো, জলের বোতল-সহ বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এই বিশৃঙ্খলার মাঝেই আন্দোলনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন একাধিক সাংবাদিক ও চিত্রসাংবাদিক। আহত কয়েকজনকে এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলায় নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদের নামে বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা মিছিল ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। (PTI)
শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলায় নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদের নামে বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা মিছিল ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। (PTI)

ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই হাসপাতালে পৌঁছে আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি এসএসকেএমে যান এবং প্রায় আধঘণ্টা ধরে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কড়া ভাষায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, 'কটা দিন অপেক্ষা করুন, ওদের কী করতে হয়, আমি জানি। এই ‘শুক্রবারি’দের দেখিয়ে দেব।' তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল ছাড়ার কিছুক্ষণ পর সেখানে যান ‘আসল’ তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। তাঁর বক্তব্য, 'এটা কোনও ছাত্র আন্দোলনের রূপ নয়। এটা চূড়ান্ত স্বৈরাচার। যেসব ভিডিও দেখলাম, তাতে প্রতিবাদীদের যে ভাষা ও আচরণ দেখেছি, তাতে আমি বিস্মিত। এটা ছাত্রদের আন্দোলন বলে মনে হয় না।'

অন্যদিকে, মিছিলের অন্যতম উদ্যোক্তা দেদীপ্ত গঙ্গোপাধ্যায় এই ঘটনার দায় এড়িয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, আন্দোলনের নামে কোনও ধরনের হিংসা বা গুন্ডামি তাঁরা সমর্থন করেন না। তিনি বলেন, 'ঝামেলা চাইলে আসবেন না। যাঁরা অশান্তি চাইছেন, তাঁদের আন্দোলনে আসার প্রয়োজন নেই। এই গুন্ডামি আমরা চাই না। আমরা আমাদের দাবিকে সামনে রেখেই আন্দোলন চালিয়ে যাব।'

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার ছবি এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীও আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন।

ধর্মতলার এই ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠেছে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে হিংসা ও সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রবণতা কতটা উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপর হামলার ঘটনায় বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এখন নজর পুলিশের তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe