Kolkata PNG Expansion Latest Update: পাইপে করে কলকাতায় গ্যাস আনার কাজে ‘প্রাণ’ ফিরল, চন্দননগরে কবে PNG পরিষেবা শুরু?
Kolkata PNG Expansion Latest Update: পাইপে করে কলকাতায় গ্যাস আনার কাজে ‘প্রাণ’ ফিরল। কলকাতা পুরনিগমের তরফে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আবার চন্দননগরে কবে পাইপ-বাহিত গ্যাস পরিষেবা শুরু হবে?
Kolkata PNG Expansion Latest Update: কলকাতা পুরনিগমের আশ্বাসে নতুন করে প্রাণ পেল পাইপ-বাহিত গ্যাসের (পিএনজি) লাইন পাতার পরিকল্পনা। সূত্রের খবর, পুরনিগম কর্তৃপক্ষের থেকে দ্রুত পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আশ্বাসবাণী পেয়ে প্রথম দফায় কলকাতার ন'টি জায়গায় ৩০ কিলোমিটার পাইপলাইন বসানোর জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনাপত্র জমা দিতে চলেছে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (গেইল এবং গ্রেটার ক্যালকাটা গ্যাস সাপ্লাই কর্পোরেশন লিমিটেডের যৌথ সংস্থা)। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, বিস্তারিত পরিকল্পনা খতিয়ে দেখে দ্রুত কাজ শুরু করার অনুমতি দেবে পুরনিগম কর্তৃপক্ষ।

'প্রতি মিটারে ৯০০ টাকা চেয়েছিল পুরনিগম, সরকারি দরের ৪ গুণ'
অথচ একটা সময় পুরো প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছিল। মাইক্রো-টানেলিং ইনস্পেকশনের জন্য প্রতি মিটারে ৯০০ টাকা চেয়েছিল পুরনিগম। যা রাজ্য সরকারের নির্ধারিত দরের থেকে চারগুণ বেশি ছিল বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন বেঙ্গল গ্যাসের আধিকারিকরা। সেই পরিস্থিতিতে প্রথম দফায় কলকাতার ন'টি জায়গায় পাইপ বসানোর পরিকল্পনা স্থগিত রাখা হয়েছিল।
বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানির তরফে কী বলা হল?
তবে এবার বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে যে সম্প্রতি তাদের প্রতিনিধিরা কলকাতা পুরনিগমের কমিশনার স্মিতা পান্ডের সঙ্গে দেখা করেছেন। যাতে রাজ্যের নির্ধারিত দর ধার্য করা হয়, সেই আর্জি জানিয়েছেন। নাহলে পুরো প্রকল্প আর্থিক দিক থেকে অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের আর্জি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন পুর কমিশনার। আর বিস্তারিত পরিকল্পনা জমা দিতে বলেছেন বলে জানানো হয়েছে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানির তরফে।
ইতিমধ্যে লাইন পাতা হয়েছে, চলছে লাইন পাতার কাজও
বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানির হিসাব অনুযায়ী, কলকাতা পুরনিগম এলাকায় পিএনজি গ্যাসের পরিকাঠামো তৈরির জন্য ৭৭৫ কোটি টাকার বাজেট ধরা হয়েছে। কিন্তু আগে পুরনিগমের তরফে যে মাইক্রো-টানেলিং ইনস্পেকশনের খরচ চাওয়া হচ্ছিল, তাতেই স্রেফ ৫৬৫ কোটি টাকা বেরিয়ে যেত বলে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে। যে সংস্থা ইতিমধ্যে চিংড়িঘাটা থেকে বারুইপুর পর্যন্ত পাইপলাইন বসিয়ে ফেলেছে। সেইসঙ্গে কালিকাপুর থেকে যাদবপুর পর্যন্ত লাইন তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। আর আগামী মাস থেকেই চন্দননগরে পাইপে করে গ্যাস পরিষেবা চালু করা হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


