শনিবার সকালে কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি সংলগ্ন দিঘি থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দিঘির জলে একটি দেহ ভাসতে দেখতে পান। খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই রাজবাড়ির ঘাটে ভিড় জমে যায়। পরে পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।
ঘাটে দেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়দের চাঞ্চল্য

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে কৃষ্ণনগরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজবাড়ি দিঘির ঘাটে স্থানীয়রা জলের উপর একটি দেহ ভাসতে দেখেন। বিষয়টি নজরে আসার পরই কোতোয়ালি থানায় খবর দেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
পুলিশ দিঘি থেকে দেহটি উদ্ধার করে শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, মৃত যুবকের বয়স প্রায় ৪০ বছর। তবে তাঁর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
আগে এলাকায় দেখেননি স্থানীয়রা
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মৃত ব্যক্তিকে তাঁরা আগে ওই এলাকায় দেখেননি। ফলে তিনি কোথা থেকে রাজবাড়ি দিঘির কাছে এলেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। পুলিশের তরফেও তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
মৃত ব্যক্তির সঙ্গে কোনও পরিচয়পত্র বা এমন কোনও নথি পাওয়া গিয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি আশপাশের এলাকার কেউ নিখোঁজ রয়েছেন কি না, সেই তথ্যও সংগ্রহ করতে পারে পুলিশ।
কী ভাবে মৃত্যু, তদন্তে একাধিক প্রশ্ন
এই ঘটনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ওই যুবক কী ভাবে দিঘিতে পৌঁছলেন এবং তাঁর মৃত্যু হল কী ভাবে। তিনি কি নিজে দিঘিতে গিয়েছিলেন, নাকি অন্য কোনও ভাবে সেখানে পৌঁছেছিলেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
{{/usCountry}}এই ঘটনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ওই যুবক কী ভাবে দিঘিতে পৌঁছলেন এবং তাঁর মৃত্যু হল কী ভাবে। তিনি কি নিজে দিঘিতে গিয়েছিলেন, নাকি অন্য কোনও ভাবে সেখানে পৌঁছেছিলেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
{{/usCountry}}মৃত্যুর পেছনে দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আপাতত নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে চাইছে না পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।
পরিচয় জানার চেষ্টা পুলিশের
পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে স্থানীয়দের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কাজল সরকার জানান, সকালে রাজবাড়ির ঘাটে দেহটি ভাসতে দেখে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। পরে দেহ উদ্ধার হলেও কেউ ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারেননি। তাঁর কথায়, পুলিশের তদন্তেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় আপাতত একাধিক প্রশ্নের উত্তর অধরা। পরিচয় জানা গেলে তদন্তের পথ অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকেও এখন নজর তদন্তকারীদের।