...
...
Next Story

দুই নৌকোয় পা? স্বাধীনতা দিবসে তৃণমূলের দুই শিবিরের অনুষ্ঠানে কুণাল ঘোষ, বিস্ফোরক বিধায়ক

Kunal Ghosh at Independence Day Event: এদিন সকালে তপসিয়ায় কালীঘাট শিবিরের অনুষ্ঠানে দোলা সেন ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘোষ। সেখানে হাজির ছিলেন কালীঘাটপন্থী শাখা সংগঠনের নেতা ও ছাত্র-যুবরা।

Published on: Aug 15, 2026, 15:53:15 IST
Advertisement

Kunal Ghosh at Independence Day Event: স্বাধীনতা দিবসের ৮০তম বর্ষ উদযাপনে (Independence Day 2026) বাংলার রাজনীতিতে এক চাঞ্চল্যকর মুহূর্তের সাক্ষী থাকল মহানগর। শনিবার ১৫ অগাস্ট একইদিনে তৃণমূল কংগ্রেসের দুটি ভিন্ন শিবিরে উপস্থিত থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। প্রথমে তপসিয়ায় পুরোনো তৃণমূল ভবনে দলীয় পতাকা তোলার পর, সরাসরি মেট্রোপলিটন এলাকায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের শিবিরেও পৌঁছে যান এই নেতা। আর তাঁর এই দ্বৈত উপস্থিতি ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। তবে কী দলবদলের পথে হাঁটছেন কুণাল ঘোষ? সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে অত্যন্ত কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন তিনি।

স্বাধীনতা দিবসে তৃণমূলের দুই শিবিরের অনুষ্ঠানে কুণাল ঘোষ, বিস্ফোরক বিধায়ক (PTI)
স্বাধীনতা দিবসে তৃণমূলের দুই শিবিরের অনুষ্ঠানে কুণাল ঘোষ, বিস্ফোরক বিধায়ক (PTI)

এদিন সকালে তপসিয়ায় কালীঘাট শিবিরের অনুষ্ঠানে দোলা সেন ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘোষ। সেখানে হাজির ছিলেন কালীঘাটপন্থী শাখা সংগঠনের নেতা ও ছাত্র-যুবরা। এরপর সেখান থেকে ফেরার পথে মেট্রোপলিটনে ঋতব্রত শিবিরের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর যে নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) শিবির ছেড়ে ঋতব্রতের নেতৃত্বে আলাদা অবস্থান নিয়েছেন, সেই শিবিরে কুণালের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ রায়, বিপ্লব মিত্রদের উপস্থিতিতে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও রাখেন কুণাল। ঋতব্রত শিবিরের মুখপাত্র কোহিনুর মজুমদার দাবি করেন, ‘কুণাল ঘোষ আমাদের এখানে এসেছিলেন। কলিং বেল বাজিয়ে গিয়েছেন। কিছু দিন পরে লাগেজ নিয়ে চলে আসবেন।’

তবে এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, যে রাস্তা দিয়ে তিনি যাতায়াত করেন, সেখানে দলের নাম করে পতাকা তুলতে দেখে তিনি কৌতূহলবশত গাড়ি থেকে নেমেছিলেন, কারণ ওই এলাকা তাঁরই বিধানসভা। দলবদলের তত্ত্ব উড়িয়ে কুণাল হুংকার দিয়ে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি বুকে নিয়ে তিনি চলেন। কুণালের কথায়, ‘বালিশকে আমি ঘৃণা করি। তাঁর বিরুদ্ধে যে মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন, তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে- আমি এ সবের তদন্ত চাই। এরপরেও কি মনে হয় আমি দু’নৌকায় পা দিয়ে চলছি?’ কার দিকে তাঁর ইঙ্গিত বুঝতে অসুবিধা হয় না। তিনি আরও বলেন, ‘মমতাদির নেতৃত্বে তৃণমূল তৈরি হয়েছে। সেই মমতাদিকে ওঁরা মুছে দিতে চান। ওঁদের ডেরায় দাঁড়িয়ে আমি বাঘের বাচ্চার মতো মমতাদির নামটা বলে এসেছি। দু’নৌকায় পা দিয়ে কুণাল ঘোষ চলে না। একটা পা ব্যবহার করে দাঁড়িয়ে থাকতে, আর একটা লাথি মারতে।’এমনকী ওই শিবিরে দাঁড়িয়েই বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের তীব্র সমালোচনা করে তাঁর গ্রেফতারি ও সাংসদপদ খারিজের দাবি জানান কুণাল। নেতাজিকে অপমানের প্রতিবাদে বিজেপিকে একহাত নেন তিনি। পাশাপাশি বিজেপি শাসনকে কটাক্ষ করে কুণাল বলেন, ‘স্বাধীন ভারতের নাগরিক আমরা। কিন্তু অর্থনৈতিক ভাবে, সামাজিক ভাবে বিজেপি সরকার দেশের সাধারণ মানুষের সর্বনাশ করে ছেড়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে আমরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe