মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পন্থী ৫ তৃণমূল বিধায়ক এদিন বিধানসভার অধিবেশন শুরুর দিনেই দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। এই বিধায়কদের মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষও। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পর বেরিয়ে তিনি তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরকে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না।

এদিন বৈঠকের পর কুণাল ঘোষ বলেন, ‘আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করি। অনেকে চাপে গেছেন। আমরা দিল্লির গ্যারেজে দাঁড়িয়ে থাকা লোক নয়। উল্টো শিবির থেকে ভয় দেখানো হচ্ছে।’ একই সঙ্গে তিনি আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘ মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করলাম। উনি চা বিস্কুট খাওয়ালেন। ভাল আলোচনা হল। বিরোধী দলনেতা একটা থানায় যাননি। আক্রান্তদের পাশে যাননি। হকার উচ্ছেদ নিয়ে রাস্তায় নামেননি। রাজ্যপাল বলেছেন মহিলাদের ওপর অত্যাচার হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিবের রাজনীতি করেন।’ নাম না করে খোঁচার সুরে কুণাল এদিন বলেন, ‘আমরা চাটনচরিতকে মানিনা। ব্যাকডোর দিয়ে ছুরি মারা বিরোধী দলনেতাকে মানি না। মুখ্যমন্ত্রী সহযোগিতা করেছেন। আমাদের আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করতে বলেছেন।’ এর আগে, কুণাল ঘোষ বলেন, ‘ আমাদের হামাগুড়ি দিয়ে যেতে হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য।’ বিধানসভায় বক্তব্যের জন্য আলাদা সময় গ্রহণ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন,' ওই চাটন ঋতর থেকে সময় চাইব না। আমরাও আলাদা সময় পাব। যেমন নওশাদ, সিপিএম, কংগ্রেস সময় পাবে। আমরা তৃণমূল কংগ্রেস, আমরা বিরোধী দল। আমরা গঠনমূলক বিরোধিতা করব। এই সরকারকেও একটু সময় দেওয়া উচিত।'
সদ্য হকার উচ্ছেদের বিরোধিতা করে কলকাতার রাস্তায় মিছিলে অংশ নেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, আজকের বৈঠকের পর বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘হকার ইস্যু নিয়েও বলেছি।’ সব মিলিয়ে বিধানসভায় মমতাপন্থী বিধায়কদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বৈঠক,রাজনৈতিক মহলের নজরে ছিল।
{{/usCountry}}সদ্য হকার উচ্ছেদের বিরোধিতা করে কলকাতার রাস্তায় মিছিলে অংশ নেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, আজকের বৈঠকের পর বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘হকার ইস্যু নিয়েও বলেছি।’ সব মিলিয়ে বিধানসভায় মমতাপন্থী বিধায়কদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বৈঠক,রাজনৈতিক মহলের নজরে ছিল।
{{/usCountry}}