আসল তৃণমূল কারা? এই প্রশ্নকে সামনে রেখেই রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় করে 'বিরোধী' তকমা বিতর্ক তুঙ্গে। এরই মাঝে গতকালই তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে। গতকাল দুপুরেই ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওদিকে, সই-জাল কাণ্ড ঘিরে যখন পারদ চড়ছে, তখনই মঙ্গলের দুপুরে ওয়াই চ্যানেলে এক সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলকে ফেলে দেওয়ার ‘চক্রান্ত’ হচ্ছে। এরই মাঝে এদিন বিধানসভায় পৌঁছন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, হাতে এক চিঠি নিয়ে বিধানসভায় পৌঁছন তৃণমূলের কুণাল ঘোষ ও অসীমা পাত্ররা।

বিধানসভায় ‘প্রধান বিরোধী’র তকমা এবং দলের অস্তিত্ব ধরে রাখতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। অন্যদিকে, আরও এক 'বন্দ্যোপাধ্যায়'কে ঘিরে শোনা যাচ্ছে বেশ কিছু কানাঘুষো! তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র উল্লেখ করে নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, ‘ঋতব্রত-সন্দীপনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বহু তৃণমূল বিধায়ক।’ প্রসঙ্গত, তৃণমূলের মোট বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৮০। সেখান থেকে ২ বিধায়ককে কাল বহিষ্কার করেছে দল। ফলে, মোট বিধায়ক সংখ্যা ৭৮। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে প্রয়োজন ৫২ বিধায়ক। নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, পর্যাপ্ত বিধায়কের সমর্থন সম্ভবত আদায় করে ফেলেছেন ঋতব্রত এবং সন্দীপন।
এদিকে, আজ বিধানসভায় আসেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় প্রবেশের সময় ঋতব্রত বলেন, ‘বিধানসভায় কাজে এসেছি। সবই জল্পনা।’ তিনি সাফ বলেন, ‘আমি আমার এবং সন্দীপন ছাড়া কারও দায়িত্ব নিতে পারব না।’ এদিকে, অসীমা পাত্র ও কুণাল ঘোষ পৌঁছন বিধানসভায়। জানা যায়, মঙ্গলবার নয়া চিঠি হাতে বিধানসভায় পৌঁছন তাঁরা। কুণাল ঘোষ জানান, মঙ্গলবার বিধানসভায় স্পিকারের কাছে একটি চিঠি জমা করতে গিয়েছিলেন তিনি ও অসীমা পাত্র। স্পিকারের সচিব জানিয়েছেন, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধীদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা যাবে না। কুণালদের চিঠি গ্রহণ করা হয়নি সেখানে। তাঁরা স্পিকারের টেবিলে চিঠি রেখে চলে আসেন বলে জানান কুণাল। তবে কী বিষয়ে এই চিঠি, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা।
এদিকে, এরই মাঝে বিজেপির মন্ত্রী তাপস রায় এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। মহারাষ্ট্রের মতো অবস্থা হল তৃণমূলের।’ সেখানে তিনি আরও লেখেন, ‘বিধানসভার স্পিকারের কাছে প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে।’ যদিও ঋতব্রত এই পোস্টের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, তিনি বিধানসভায় কাজে এসেছেন।
{{/usCountry}}এদিকে, এরই মাঝে বিজেপির মন্ত্রী তাপস রায় এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। মহারাষ্ট্রের মতো অবস্থা হল তৃণমূলের।’ সেখানে তিনি আরও লেখেন, ‘বিধানসভার স্পিকারের কাছে প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে।’ যদিও ঋতব্রত এই পোস্টের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, তিনি বিধানসভায় কাজে এসেছেন।
{{/usCountry}}