সিঙ্গুরের 'টাটার মাঠে' প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার জন্য জোর করে জমি নেওয়া হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুললেন গোপালনগর এবং সিংহের ভেড়ির জমি মালিকদের একাংশ। সেইসঙ্গে লিখিতভাবে সিঙ্গুরের বিডিওয়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের তরফে আপাতত কিছু জানানো হয়নি। তবে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী তথা সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম মান্না দাবি করেছেন, নিয়ম না মেনেই প্রধানমন্ত্রীর সভার জন্য জমি নেওয়া হয়েছে। পালটা বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, নিম্নস্তরের রাজনীতি করা হচ্ছে।
১৭ বছর পরে সিঙ্গুর এবং ‘ব্যাড এম’ বনাম ‘গুড এম’

এমনিতে 'টাটার মাঠে' (ন্যানো প্রকল্পের জন্য টাটার অধিগৃহীত জমি) আগামী রবিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সভা করার কথা আছে। ২০০৮ সালে যে মাঠ ঘিরে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য এবং বামেদের রাজত্বে শেষ কফিন পুঁতে দিয়েছিল, সেই জমিই নতুন করে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। এমনকী মোদীর সভা জন্য যে হ্যাঙার তৈরি হয়েছে, তার আদল করা হয়েছে সিঙ্গুরের ন্যানো কারখানার ছাউনির মতো। যে কারখানা শেষপর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। রতন টাটা বলেছিলেন, ‘ব্যাড এম’ (মমতা) ‘ট্রিগার টিপে দেওয়ায়’ ন্যানো প্রকল্প চলে গিয়েছিল গুজরাটের ‘গুড এম’-র (মোদী সেইসময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন) কাছে।
সিঙ্গুর নিয়ে আক্ষেপ, পালটা যুক্তি তৃণমূলের
আর সিঙ্গুর থেকে ন্যানো কারখানা চলে যাওয়ার জন্য এখনও আক্ষেপ করেন অনেকে। বিরোধীরা আক্রমণ শানান মমতাকে। পালটা তৃণমূলের দাবি, সিঙ্গুরে কারখানার বিরোধিতা করা হয়নি। বিরোধিতা করা হয়েছিল বেআইনিভাবে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টির। কৃষকদের অনুমতি না নিয়েই তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। আর তাছাড়া মমতার আমলে রাজ্যে টাটা শিল্পে বিনিয়োগ করেছে বলে দাবি করা হয় তৃণমূলের তরফে।
তরজায় তৃণমূল ও বিজেপি
তারইমধ্যে ফের বিনা অনুমতিতে জমি নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সিঙ্গুরে তরজা শুরু হল। সিঙ্গুরের বিধায়ক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংবিধান ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন। ভারতীয় আইন মেনে চলার জন্য (শপথ নিয়েছেন)। মোদীজি সিঙ্গুরে আসছেন। কিন্তু আইন মানছেন না। সভা আয়োজনের জন্য জমি মালিকদের অনুমতি চাই।’ পালটা বিজেপি নেতা জগন্নাথের দাবি, মোদীর সভার জন্য এসপিজির (প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে) উপস্থিতিতে আগেভাগেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক হয়ে গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফেও সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। রাজনীতির জন্য এখন এসব করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}তারইমধ্যে ফের বিনা অনুমতিতে জমি নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সিঙ্গুরে তরজা শুরু হল। সিঙ্গুরের বিধায়ক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংবিধান ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন। ভারতীয় আইন মেনে চলার জন্য (শপথ নিয়েছেন)। মোদীজি সিঙ্গুরে আসছেন। কিন্তু আইন মানছেন না। সভা আয়োজনের জন্য জমি মালিকদের অনুমতি চাই।’ পালটা বিজেপি নেতা জগন্নাথের দাবি, মোদীর সভার জন্য এসপিজির (প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে) উপস্থিতিতে আগেভাগেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক হয়ে গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফেও সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। রাজনীতির জন্য এখন এসব করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}