তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের আবহে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। বারাসত বিধানসভা কেন্দ্রের টিকিট চাওয়ার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ দাবি করে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন।

বৈদ্যনাথের অভিযোগ, সম্প্রতি মমতার তরফ থেকে এমন দাবি করা হয়েছে যে তিনি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য টিকিট চেয়েছিলেন। তাঁর দাবি, এই বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সেই কারণেই তিনি আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন। তৃণমূলের অন্দরে চলা বিদ্রোহের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সম্প্রতি তিনি এবং একদল বিদ্রোহী সাংসদ দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, লোকসভায় তাঁদের সমর্থনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংসদ রয়েছেন এবং তাঁরা পৃথক গোষ্ঠী হিসেবেও স্বীকৃতির চেষ্টা করছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বৈদ্যনাথের এই আইনি নোটিস শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্মানরক্ষার লড়াই নয়, বরং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাতকে আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল। এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটল, যখন দল ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক রদবদল, বিদ্রোহী সাংসদদের সক্রিয়তা এবং নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নের মুখে রয়েছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে এখনও এই আইনি নোটিস নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে যে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও বড় আইনি ও রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
এদিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ইতিমধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের দলে রয়েছেন। এই আবহে তৃণমূল সাংসদীয় দল দুই ভাগে বিভক্ত। দাবি করা হচ্ছে, অন্তত ২০ জন তৃণমূল সাংসদ বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে রয়েছেন এবং তাঁরা এনডিএ-কে সমর্থন করবেন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই বিরোধী গোষ্ঠীতে নাম লিখিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এর আগে মমতা ঘনিষ্ঠ মালা রায় থেকে শুরু করে সায়নী ঘোষ, ইউসুফ পাঠানরাও সেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে আছেন।
{{/usCountry}}এদিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ইতিমধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের দলে রয়েছেন। এই আবহে তৃণমূল সাংসদীয় দল দুই ভাগে বিভক্ত। দাবি করা হচ্ছে, অন্তত ২০ জন তৃণমূল সাংসদ বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে রয়েছেন এবং তাঁরা এনডিএ-কে সমর্থন করবেন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই বিরোধী গোষ্ঠীতে নাম লিখিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এর আগে মমতা ঘনিষ্ঠ মালা রায় থেকে শুরু করে সায়নী ঘোষ, ইউসুফ পাঠানরাও সেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে আছেন।
{{/usCountry}}