Delimitation Latest Update: পাঁচ রাজ্যের সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল এবং পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফের লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে সক্রিয় হয়েছে বিজেপি। শুক্রবার দিল্লিতে দলের রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, দেশের বর্তমান জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি।

শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, দেশের জনসংখ্যা ইতিমধ্যেই ১৪০ কোটির গণ্ডি অতিক্রম করেছে। অনেক লোকসভা কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা ১৮ থেকে ২০ লক্ষের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছে। ফলে একজন জনপ্রতিনিধির পক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাঁর মতে, গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে লোকসভার বর্তমান ৫৪৩টি আসন যথেষ্ট নয়। সেই কারণেই আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সর্বসম্মতিক্রমেই সংসদে এই বিল পাস হবে বলে আশাবাদী তিনি।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ডিলিমিটেশন বিল পাস করানো সহজ হবে না। শুধুমাত্র লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রশ্ন হলে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই যথেষ্ট। কিন্তু যদি এর সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণ বিল যুক্ত করা হয়, তাহলে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হবে। সে ক্ষেত্রে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার, যা বর্তমানে সরকারের হাতে নেই। তবে ডিএমকের ২২ জন সাংসদের ইস্যুভিত্তিক সমর্থন পেতে পারে সরকার। আর তৃণমূলের সাংসদদীয় দলেও ভাঙন ধরতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। কংগ্রেস ও ডিএমকের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে ডিএমকের কিছু সাংসদের ইস্যুভিত্তিক সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলেও যদি বিভাজন তৈরি হয়, তাহলে কিছু বিক্ষুব্ধ সাংসদের সমর্থন মিলতে পারে বলেও জল্পনা চলছে। সংসদীয় সূত্রের দাবি, এই সম্ভাবনাগুলিকে মাথায় রেখেই বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে।
{{/usCountry}}এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। কংগ্রেস ও ডিএমকের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে ডিএমকের কিছু সাংসদের ইস্যুভিত্তিক সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলেও যদি বিভাজন তৈরি হয়, তাহলে কিছু বিক্ষুব্ধ সাংসদের সমর্থন মিলতে পারে বলেও জল্পনা চলছে। সংসদীয় সূত্রের দাবি, এই সম্ভাবনাগুলিকে মাথায় রেখেই বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে।
{{/usCountry}}