...
...
Next Story

Delimitation Update: তৃণমূলে ভাঙনের গুঞ্জন শোনা যেতেই লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে তৎপর বিজেপি, বড় মন্তব্য শমীকের

Delimitation Latest Update: ডিএমকের ২২ জন সাংসদের ইস্যুভিত্তিক সমর্থন পেতে পারে সরকার। আর তৃণমূলের সাংসদদীয় দলেও ভাঙন ধরতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এই আবহে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, দেশের বর্তমান জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি।

Published on: Jun 6, 2026, 09:07:04 IST
Advertisement

Delimitation Latest Update: পাঁচ রাজ্যের সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল এবং পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফের লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে সক্রিয় হয়েছে বিজেপি। শুক্রবার দিল্লিতে দলের রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, দেশের বর্তমান জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি।

রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, দেশের বর্তমান জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি। (Saikat Paul)
রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, দেশের বর্তমান জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি। (Saikat Paul)

শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, দেশের জনসংখ্যা ইতিমধ্যেই ১৪০ কোটির গণ্ডি অতিক্রম করেছে। অনেক লোকসভা কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা ১৮ থেকে ২০ লক্ষের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছে। ফলে একজন জনপ্রতিনিধির পক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাঁর মতে, গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে লোকসভার বর্তমান ৫৪৩টি আসন যথেষ্ট নয়। সেই কারণেই আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সর্বসম্মতিক্রমেই সংসদে এই বিল পাস হবে বলে আশাবাদী তিনি।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ডিলিমিটেশন বিল পাস করানো সহজ হবে না। শুধুমাত্র লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রশ্ন হলে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই যথেষ্ট। কিন্তু যদি এর সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণ বিল যুক্ত করা হয়, তাহলে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হবে। সে ক্ষেত্রে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার, যা বর্তমানে সরকারের হাতে নেই। তবে ডিএমকের ২২ জন সাংসদের ইস্যুভিত্তিক সমর্থন পেতে পারে সরকার। আর তৃণমূলের সাংসদদীয় দলেও ভাঙন ধরতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe